করোনা ভাইরাসের ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসছে সোমবার : পাপন

13

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসছে সোমবার। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত এ টিকার প্রথম চালান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এর মাধ্যমে দেশে পেঁছৈবে। এই ভ্যাকসিন দেশে আসার পর ল্যাব টেস্ট ও স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সময় মতো দেশের ৬৪ জেলায় পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বেক্সিমকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন। সন্ধ্যায় গুলশানে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পাপন জানান, ভ্যাকসিনের চালানটি আগামীকাল সকাল ৮টায় ভারত থেকে যাত্রা শুরু করবে। বেলা ১১টার দিকে ঢাকায় এসে পৌঁছবে। বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে এগুলো রিসিভ করা হবে। এরপর টঙ্গিতে ওয়্যারহাউজ রাখা হবে।

সেখান থেকে পরীক্ষা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হবে। পাপন আরো জানান, কয়েকদিনের মধ্যে আরো ১০ লাখ ভ্যাকসিন দেশে আসবে। যা শুধু মাত্র স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে জড়িতদের দেয়া হবে।
তিনি জানান, ভারত সরকার যে দামে টিকা কিনছে বাংলাদেশও একই দামে টিকা আনছে। ভ্যাকসিন প্রতি ডোজ ৩ ডলার করে খরচ পড়বে। ভারত যদি এর থেকে বেশি দামে কিনে, তারা যদি ৬ ডলারও ধরে তবে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ৪ ডলার পর্যন্ত খরচ ধরবে।

পাপন বলেন, সরকার আমাদের ৬৪ জেলার করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছে দেয়ার কথা বলেছে। আমরা প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জনের কাছে ভ্যাকসিন হস্তান্তর করবো। সরকার যেখানেই বলবে আমরা সেখানেই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেব। সরকারের করোনার টিকা পাওয়ার অগ্রাধিকারের তালিকায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের নাম নেই। কিন্তু যারা ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করে তারা সব চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। কারণ করোনাকালে আমরা একদিনও কারখানা বন্ধ রাখতে পারিনি। উৎপাদিত ওষুধ বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিতে হচ্ছে। তাই করোনার টিকা পাওয়ার অগ্রাধিকারের তালিকায় প্রতিনিধিদের নাম রাখার পক্ষে তিনি। ৩-৪ দিনের মধ্যে তিনি নিজের শরীরের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করাবেন বলে জানান পাপন।