সুনামগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৮, আটক ১২

20

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। এরমধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৮ জন। এদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যসহ ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ একটি লাইসেন্সকৃত বন্দুক জব্দ করেছে। আজ বুধবার বিকেলে উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাদামপুর গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী সিরাজ মিয়া ও তার আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা নজির হোসেন ও তার স্বজনদের গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। মঙ্গলবার গ্রামের এক মৃত ব্যক্তির চল্লিশ দিনের শিরনীর অনুষ্ঠানে সিরাজ মিয়ার সঙ্গে নজির হোসেনের লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে আজ বুধবার বিকেলে নজির হোসেনের পক্ষের লোকজন সিরাজ মিয়াকে লাঞ্ছিত করে। খবর পেয়ে সিরাজ মিয়ার পক্ষের লোকজন বন্দুক দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে গুলিবিদ্ধ ৮ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অন্যদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।  গুলিবিদ্ধ আহতরা হলেন- ফটিক মিয়া (৩৫), বিবিনুর বেগম (৫০), ফাতেমা বেগম (১৪), আব্দুল আলীম (৩০) হাফিজুর রহমান (২৫), মিটু মিয়া (২২), তাসলিমা (১৪) ও রমিজ মিয়া (৩২)। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে একটি বন্দুক জব্দ করে এবং ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে আটক করেছে।  জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহ আলম সিদ্দিকী জানান, গুলিবিদ্ধ ৮ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় একটি বন্দুক জব্দ ও ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন আছে।