ফুলতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাগজপত্র বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা, চাকরি না করেই সকল ফাইল দেখেন অজিয়ার

127

ডেক্স রিপোর্ট।।

খুলনার ফুলতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ২০১৬ সাল থেকে অদ্যবদি দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ অ-ঘোষিত কর্মচারি হিসেবে কাজ করে আসছেন অজিয়ার নামে এক ব্যক্তি। তথ্যানুসন্ধানে গিয়ে জানা যায়, অজিয়ার রহমান , পিতা-আতিয়ার রহমান, সাং-শিরোমনি, জেলা-খুলনা ভূমি অফিসে কোন চাকরিতে নাই। অথচ ভূমি অফিসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্রের আদান প্রদান করে থাকেন তিনি। এছাড়াও নাম পত্তনের তামিল নিজে হাতে করে থাকেন।  যদিও এ ভূমি অফিসে অফিস সহায়ক পদে ৩ জন কর্মচারি রয়েছে। তারপরেও তাদেরকে কোন কাজে না লাগিয়ে অজিয়ারকে দিয়ে সকল গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ করিয়ে থাকেন নায়েব সাকিল আহমেদ। ফুলতলার অধিকাংশ সেবা প্রত্যাশীরা অজিয়ারকে ভূমি অফিসের লোক হিসেবে চিনে থাকেন। সকাল থেকে  সন্ধ্যা পর্যন্ত ভূমি অফিসের অভ্যান্তরে নায়েব সাকিলের একান্ত কর্মচারি হিসেবে কাজ করেন। সরেজমিনে গিয়ে আরো দেখা যায়, সরকারি আরও ফাইল , খাস জমির বিভিন্ন ফাইল অজিয়ার নিজেই দেখভাল করেন। সচেতন মহল মনে করেন, যেকোন মূহুর্তে পুরাতন জীর্ণশীর্ণ সরকারি ফাইলের কাগজ বিনষ্ট বা বেহাত হওয়ার সম্ভনা রয়েছে  এই কথিত ভূমি অফিসের কর্মচারি অজিয়ারের মাধ্যমে।

বিষয়টি নিয়ে খুলনার অতিরিক্ত  জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জিয়াউর রহমানকে অবগত করা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। তবে এখনও পর্যন্ত বহুল তবিয়তে এ ভূমি অফিসে অজিয়ার রহমান বীর দর্পে কাজ করে যাচ্ছেন। এক প্রশ্নের জবাবে অতি: জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জানান, কোন ভাবেই সরকারি এ দপ্তরের বাইরের লোক কাজ করতে পারবে না। যদি এটা করে। তা সম্পূর্ন বেআইনী।

উল্লেখ্য, ফুলতলা এ ভূমি অফিসের নায়েব গাজী সাকিল আহমেদ এর বিভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজে অজিয়ার রহমানকে গোপনে ব্যবহার করেন। ফলে অজিয়ারকে ভূমি অফিসের কাজে রেখে দিয়েছেন লোকবল ঘাটতির অজুহাত দেখিয়ে নায়েব গাজী সাকিল আহমেদ।