আফিলগেট মিথ্যা চুরির ঘটনা সাজিয়ে এক যুবককে নৃশংসভাবে মারপিট, আটক ২

296

ডেক্স রিপোর্ট।।

সাম্প্রতিক কেএমপি’র খানজাহান আলী থানায় কয়েকটি মারপিটের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে শনিবার বিকালে আফিলগেট বাইপাশ সড়কের পাশে মেট্রো টেকনিক্যাল কলেজের সামনে একটি মারপিটের ঘটনা ঘটে। পুলিশ মারপিটের সাথে জড়িত ২ যুবককে আটক করে। আহত অবস্থায় খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হয় রাহাত নামে এক যুবক।

আহত রাহাতের পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, বাইপাশ সড়েকের পাশে  হোটেল ব্যবসায়ি আঃ রহিম শেখ মিথ্যা দোকান চুরির ঘটনা সাজিয়ে কর্মচারি রাহাতকে সন্দেহাতীতভাবে ডেকে নিয়ে নির্জন স্থানে বেধড়ক মারপিট করে। মারপিটের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে রাহাতের মা জানান, আমার ছেলেকে দোকানের মালিক রহিম শেখ (৩২) , পিতা :  শেখ নওশের আলী ও মেহেরাব হোসাইন (১৮), পিতা-ইউনুস  মোল্যা সর্ব সাং-মাত্তমডাঙ্গা, থানা-খানজাহান আলী, জেলা-খুলনাদ্বয় প্লাস দিয়ে হাত ছেঁচে দিয়েছে, এছাড়া রাহাতের কোমর থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত  মেরে থেতলিয়ে দিয়েছে।

পুলিশের জব্দকৃত লাঠিসোঠা
পুলিশের জব্দকৃত লাঠিসোঠা

জানাযায়, রাহাতের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসি ও পরর্বর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে তাকে  উদ্ধার করে স্থানীয় ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  প্রেরণ করেন। আশংকাজনক অবস্থায়  রাহাতকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, মারামারি ঘটনায় আমরা রহিম ও মেহেরাব নামে দুই যুবককে তাৎক্ষনিকভাবে আটক করি। অভিযোগ বা এজাহারের আবেদন আসলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় জনৈক এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, শুধু মিথ্যা চুরির ঘটনা নয়, এর আগেও মিথ্যা ডাকাতি মামলা  দিয়ে রহিম শেখ অনেক নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানি করেছে। রহিমের বিরুদ্ধে তদন্ত করলে বেরিয়ে আসতে পারে বাইপাশে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া কয়েকটি অপরাধ প্রবনতার ফিরিস্তি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মারামারি ঘটনাটি যাতে মামলায় না  পৌঁছাতে পারে সেজন্য একটি পক্ষ মাঠে নেমেছে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে। তবে এলাকাবাসির দাবি রহিম শেখের বিরুদ্ধে প্রচালিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। না হলে থানা থেকে বেরিয়ে রহিম এর থেকে আরো বেপরোয়া কর্মকান্ড ঘটাতে পারে।