ভোলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে টুকরো সংবাদ

31

ভোলা থেকে সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আরিফুর রহমান সেতুর পাঠানো সংবাদগুচ্ছ……………..

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়ন করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় অনেকটাই সফল।  সচেতনতা মেনে চলাফেরা, জনপ্রতিনিধিদের কঠোর অবস্থান, তৃনমূল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সেবার মানসিকতার সমন্বয় সাধন ও সাধারন জনগনের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমেই করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করছেন জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ইউনুস মিয়া   সি আই এন টিভি ২৪ অনলাইনকে একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে আমরা এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার চালাই। পরবর্তীতে আমার নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে হঠাৎ  কর্মহীন হয়ে পরা সাধারণ জনগনকে ত্রান বিতরন শুরু করি।  পাশা পাশি সরকারের বরাদ্দকৃত জি আর ত্রান  আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে পেয়েছি যার ফলে এলাকায় আমরা সকলের চাহিদা পুরন করতে সক্ষম হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষনিক সহায়তা এবং তার কঠোর সিদ্ধান্ত আমরা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার ফলে আজ আমাদের এই ইউনিয়ন করোনামুক্ত। এখন এই ইউনিয়নে কোন করোনা রোগী নেই।
তবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য সরকার বেশী করে চাষাবাদের কথা বলছেন। সরকার এর জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিলেও সময়মত তা না আসায় সেই বীজ আর সার কোন কাজে আসছে না। তাই সরকার যদি এই বরাদ্দ সঠিক সময়ে দিত তাহলে কৃষকরা খুবই উপকৃত হত।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়ন করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় অনেকটাই সফল। সচেতনতা মেনে চলাফেরা, জনপ্রতিনিধিদের কঠোর অবস্থান, তৃনমূল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সেবার মানসিকতার সমন্বয় সাধন ও সাধারন জনগনের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমেই করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করছেন ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম ফোটন।
সি আই এন টিভি ২৪ অনলাইনকে একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে আমরা এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার চালাই। পরবর্তীতে আমার নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে হঠাৎ  কর্মহীন হয়ে পরা সাধারণ জনগনকে ত্রান বিতরন শুরু করি।  পাশা পাশি সরকারের বরাদ্দকৃত জি আর ত্রান  আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে পেয়েছি যার ফলে এলাকায় আমরা সকলের চাহিদা পুরন করতে সক্ষম হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষনিক সহায়তা এবং তার কঠোর সিদ্ধান্ত আমরা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার ফলে আজ আমাদের এই ইউনিয়ন করোনামুক্ত। এখন এই ইউনিয়নে কোন করোনা রোগী নেই।
তবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য সরকার বেশী করে চাষাবাদের কথা বলছেন। সরকার এর জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিলেও সময়মত তা না আসায় সেই বীজ আর সার কোন কাজে আসছে না। তাই সরকার যদি এই বরাদ্দ সঠিক সময়ে দিত তাহলে কৃষকরা খুবই উপকৃত হত।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মাঠে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন তরুন ইউ পি সচিব ইমরান হোসেন। তিনি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ২ নং আছলামপুর ইউনিয়নের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সি আই এন টিভি ২৪ অনলাইনের সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পরে আমরা সবসময় মাঠে থেকে কাজ করছি।  সরকারের নির্দেশ মোতাবেক বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের লকডাউন নিশ্চিত করা, ত্রান বিতরন, মাননীয়  প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার তালিকা প্রস্তুত, অসহায় মানুষের জন্য তালিকা প্রনয়ন থেকে শুরু করে আছলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ কে এম সিরাজুল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে আমাদের ইউনিয়নে করোনার প্রভাব আমরা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। সবাই যখন ঘরে ছিল কর্মহীন ঠিক তখনই আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর তত্ত্বাবধানে সকল ত্রান সুষ্ঠু এবং সুষমভাবে বন্টন করতে সক্ষম হয়েছি।
সরকারের স্বাস্হ্যবিধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা যথেষ্ট প্রচার করেছি যার ফলে সবাই সচেতন হয়ে যাওয়ায় আজ এই এলাকা করোনামুক্ত। আমাদের উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আমরা করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় উন্নতির দিকে আছি।
আমরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও কোন প্রনোদনার প্রত্যাশা করিনি।  কারন আমরা দেশের জন্য, মা ও মাটিকে বাচানোর জন্য কাজ করেছি। আমাদের প্রত্যাশা একটাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যাতে আমাদের দিকে সুদৃষ্টি রাখেন। আমাদের বাংলাদেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের যে দাবি চলমান, সেটি যেন তিনি বাস্তবায়ন করেন।  এতটুকু উৎসাহ পেলে আমরা তৃনমূলে আরো দ্রুত সরকারের উন্নয়ন এবং দেশের উন্নয়নে মানুষের সেবা আরো বেশী করতে উৎসাহ পাব।