সন্ধ্যা নামতেই খুলনা ৭ নম্বর ঘাটে জমে উঠে আড্ডা

82
মোঃ আল আমিন খান, ব্যুরো চিফ খুলনা
সারা বিশ্ব যখন করোনাভাইরাসের প্রভাবে থুমকে পড়েছে প্রতিদিনই খুলনা জেলায় করোনা শনাক্তের রুগী বেড়েই চলেছে। প্রশাসনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতনতা করতে নানা উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিক ডাক্তারসহ বিভিন্ন লোক আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে আবার মৃত্যু বরণ ও করেছে। কিছুদিন আগেও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে সর্বক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে অন্যথায় ছয় মাসের জেল সহ এক লক্ষ টাকার জরিমানা । সরকারের নিয়ম অনেকটায় কাগজ কলামের ভিতরে আটকে আছে। এমন কি সন্ধ্যার পরে বিশেষ দরকার ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা আছে। ঠিক এমন ই সময় খুলনার ৭ নম্বর ঘাটটি  তরুন তরুনীর প্রেম কেন্দ্রের একমাত্র স্পট হিসাবে গড়ে উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রতিদিন বিকাল ৬ টার পরে থেকে মটর বাইক ও ইজিবাইকে করে ঘুরতে আসে হাজারো মানুষ। বেশিরভাগই তরুন তরুনীরা একে অপরের সাথে গভীর গল্পে মেতে থাকে যাদের মুখে নেই কোন মাস্ক নেই কোন সামাজিক দূরত্ব। মটর বাইক নিয়ে অনেকে আবার রেস প্রতিযোগিতাও করতে আসে। গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে এই আড্ডা।
নাম প্রকাশেক অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন ঘাটটিতে যেমন হয় আড্ডা তেমনি কিছু ব্যক্তি রোজ ই মাদক সেবন করে স্থানীয় ও প্রভাবশালীদের কারনে মুখ খুলতে ভয় পায় অনেকে। জনগন মনে করেন প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এই ঘাটটি একদিকে যেমন আড্ডা হয় তেমনি অন্যদিকে আবার মাদক সেবন ও করা হয়। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখলে করোনা ভাইরাস হওয়ার আশংকা ও থাকে সবচেয়ে বেশি। প্রশাসন ই পারে এই চিএ বদলে দিতে বলে এলাকাবাসীর ধারনা।
মুঠোফোন কথা হয় খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে।  তিনি বলেন, আসলেই এটা হওয়ার কথা নয়। মানুষ এই করোনার ভীতরে জীবনকে না বাঁচিয়ে আড্ডায় মেতে উঠেছে। এমন দৃশ্য আগামীকাল থেকে আর দেখা যাবে না বলে জানান।