নিজড়া ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আজিজের নামে অপপ্রচার করায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা

879

উন্নয়নের অগ্রদুত নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান সরদার আজিজ ও তার পরিবারকে জড়িয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ইর্ষ্বানিত হয়ে অপপ্রচার রটিয়েছে ঃ তীব্র প্রতিবাদ নিন্দা

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১৩নং নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার আজিজ ও তার গোটা পরিবারকে জড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে আইন বর্হিভূতভাবে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে একটি কুচক্রী মহল। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হওয়াতে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, দীর্ঘকাল ধরে নেতৃত্বের লড়াই নিয়ে মীনা বংশের সাথে সরদার বংশের বিরোধ চলে আসছে। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’বংশের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য ঘটনাস্থলে আসে। পরবর্তীতে পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। এ ঘটনাকে পুঁজি করে মীনা বংশের সমার্থিত একটি পক্ষ অতি উৎসাহিত হয়ে চেয়ারম্যান আজিজ ও তার ছোট ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ি সরদার আশরাফুল ইসলাম, পিতা-মরহুম সোহরাব সরদার, চাচা মরহুম জয়নাল আবেদীন সরদার সহ আরো কয়েকজনের নামে উদ্যেশ্য প্রনোদিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন মনগড়া কাল্পনিক তথ্য কয়েকটি ফেসবুক আইডিতে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। ওই সব আইডিগুলো থেকে যেসব ভাষা ও শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে । তা দেখে মনে হয় না এটা কোন সভ্য মানুষের কাজ। মুলতঃ দীর্ঘ কাল ধরে মীনা বংশের একটি অংশ ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। সময়ের পালা পরিবর্তনে নৌকার প্রার্থী আজিজ জনগনের ভোটে নির্বাচিত হন। এর পর থেকে প্রতিপক্ষ আজিজের উপর ক্ষিপ্ত হয়। চলতে থাকে দুই বংশের মধ্যে দুরত্ব।
ঐতিহ্যবাহি নিজড়া গ্রামের সরদার পরিবারে আজিজের জন্ম হয়। তিনি পেশায় একজন প্রকৃত ব্যবসায়ি। তার ছোট ভাই আশরাফুল ব্যবসা বানিজ্য করছে। তার পিতা মরহুম সোহরাব সরদার বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের একজন শ্রমিক নেতা ছিলেন। মরহুম জয়নাল আবেদীন সরদার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি গ্রামে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তাছাড়া তিনি নিজড়া গ্রামে ন্যায় বিচারক হিসেবে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন। এ সব ব্যক্তিদের নিয়ে উদ্ভট মন্তব্য করা হয়েছে। যা মানবাধিকার লংঘনের শামিল। উস্কানিমূলক মনগড়া কথা বার্তা বলে ওই পক্ষটি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। তারা সরদার বংশের বিরুদ্ধে আজে বাজে মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ বিভিন্ন কথা লিখে পোস্ট করেছে ফেসবুকে। সরকারের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আইন না মেনে তার দেধারছে এ ধরনের বাজে মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে আইন বিরোধী কাজের সাথে লিপ্ত রয়েছে। এ ধরনের কর্মকান্ডে যারা প্রত্যাক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ওই মহলটির নোংরামির কারণে এলাকার শান্তি শৃংখলা বিনষ্ট হচ্ছে। এমনকি নিরীহ মানুষ অতিষ্ট দিশাহারা। উল্লেখ্য, তরুন প্রজন্মের আওয়ামীলীগ নেতা সরদার আজিজ নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান। কলংকমুক্ত জীবন প্রবাহে তার ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত। মিষ্টভাষি সদালাপি, নির অহংকার, সৎ ,নির্ভিক আজিজ সরদার এলাকার জনগনের কল্যাণে রাত দিন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে এ যাবৎ কাল একটি সরকারি কাজেও কোন স্বজনপ্রীতি করেনি। বরং তিনি তার নিজ সরদার বংশের থেকেও বাইরের বংশের জনগনকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়ে আসছেন। অত্যান্ত মার্জিত প্রখর চিন্তা সংবেদনশীল এই তরুণ যুবক আজিজ। তার বিনয় প্রকৃতির মাঝে অনেক দূরদর্শীতা রয়েছে। ওই পক্ষটি সরদার পরিবারকে ধুলাই মিশেয়ে দিয়েও কোন সুফল বয়ে আনতে পারবে না। সুতরাং তাকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। প্রতিটি মানুষের সেবা করে চেয়ারম্যান আজিজ পুরো গোপালগঞ্জ জেলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

তাছাড়া জাতির জনকের ভাগ্নে ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও আটবারের নির্বাচিত এমপি জননেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের স্নেহের ও মনোনিত একজন রাজপথের সিপাহসালা সরদার আজিজ। সুতরাং আজিজকে ভয়দেখিয়ে কোন লাভ নাই। আমার ছোট ভাই সরদার আজিজকে আমরা পশ্চিম নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের মানুষের সেবা করার জন্য অনেক আগেই উৎসর্গ করে দিয়েছি। তাই নতুন করে সরদার পরিবার বা আামাদের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ হবে না। কারন সরদার আজিজকে হিংসা প্রতিহিংসা লোভ লালসা তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। এই মানুষটির নামে যারা বদনাম রটাচ্ছে তা অত্যান্ত দূঃখ জনক। সরদার বংশকে নিধন করতে পর্দার অন্তরালে থেকে যারা উস্কানি দিচ্ছে তাদের চিহ্নিত করার দায়িত্ব সচেতন মানুষের। ফেসবুকে হাত পা কেটে ফেলার জন্য একলাখ টাকা ঘোষনা দিয়েছেন যে ব্যক্তি, তিনি আর যাই হোক সভ্য সমাজের মানুষ নয়। হতে পারে সেই বর্বর যুগের হায়না।

মিনা বংশের মুরব্বীদের প্রতি বিনয়ের সাথে দাবি জানাচ্ছি আপনারা এই কাদা ছরাছরি বন্ধ করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন এবং গ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনুন।

প্রতিবাদ প্রেরণে
সরদার আবু দাউদ ইমরান
বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক