খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের আমরণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণা 

21
মোঃ আল আমিন খান,  ব্যুরো চিফ খুলনা
রোববারর দুপুরে মহানগরীর খালিশপুর জুট ওয়ার্কার্স ইনস্টিটিউিট কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নতুন আধুনিক মেশিন স্থাপন, পাটক্রয়ে অর্থ বরাদ্দ ও উৎপাদন চালু রাখার দাবিতে ফের ধর্মঘট-বিক্ষোভ ও আমরণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মিলগেটে সন্তানদের নিয়ে শ্রমিকদের অবস্থান ধর্মঘট, মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত শ্রমিক-কর্মচারিদের মিলগেটে অবস্থান। এরপরও দাবি না মানলে বুধবার দুপুর থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে আমরণ অনশন শুরু। বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল রক্ষা সিবিএ ননসিবিএ সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক সরদার আব্দুল হামিদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো ফের বন্ধের পায়তারা চলছে। খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত ৯টি পাটকলে কর্মরত স্থায়ী শ্রমিক রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। পাটকলগুলো বন্ধ হলে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন। জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত ৯ পাটকলে এক হাজার ৪৭৫ কোটি ৫৭ লাখ ১৫ হাজার টাকার লোকসান হয়েছে। এ অবস্থায় বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটির আওতায় পাটকল বন্ধ রাখা হয়। তবে চাল ও বীজের মোড়কে পাটজাত বস্তার সঙ্কট তৈরি হলে ২৫ এপ্রিল থেকে সীমিত পরিসরে উৎপাদন শুরু করে পাটকলগুলো। কিন্তু ২৫ জুন ঢাকায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সারাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকল ফের বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনে নামে খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো।