অভয়নগরের জাহাঙ্গীর, যশোর জেলখানায়! ৪ বছরেও শেষ হয়নি ৬ মাসের সাজা

41

মেহেদী হাসান ইরান।

অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের গুয়াখোলা গ্রামের ভোটার বর্তমান ৭নং শুভরাড়া ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা শেখ ফরিদ উদ্দিনের ছেলে শেখ জাহাঙ্গীর ৬ মাসের সাজা খাটা শেষ হওয়ার পর ও প্রায় চার বছর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থান করলেও যেন কর্তীপক্ষের নজরে অসেননি। ১৯/১১/১৮ সালের ”ইমপ্রুভমেন্ট অফ দি রিয়েল সিসুয়েশন অফ ওভারক্রাউডিং ইন প্রিজনস্ ইন বাংলাদেশ”(আই আর এস ও পি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জিআইজেড এর একটি যৌথ প্রকল্পের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাষ্ট (ব্লাষ্ট) যশোর ইউনিটের জেলা কর্মকর্তা এড: সালেহা বেগমের ১৯/১১/১৮ তারিখে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের কাছে আবেদন করা এক পত্রের মাধ্যমে জানাযায় সাজার মেয়াদ উত্তীর্ন ভারতীয় নাগরিক লিরিজ প্রিজনারস্ শেখ জাহাঙ্গীর পিতা শেখ ফরিদ কন্ট্রল অব ইন্টি এ্যাকট ১৯৫২ আইনের ৪ ধারায় ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রাপ্ত হইয়া ০৪/০৪/২০১৬ ইং তারিখ হইতে ময়মনসিং জেলা কারাগারে অভ্যান্তরীন থেকে ২৭/১১/২০১৬ ইং তারিখে সাজার মেয়াদ শেষ করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরিত হয়েন। তাকে ভারতে প্রেরন করার জন্য যশোর কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি চিঠিতে তিনি আরো উল্লেখ করেন জাহাঙ্গীর প্রায় একজন অন্ধ প্রকৃতিক মানুস ও মানসিক বিকারগ্রস্ত। জাহাঙ্গীরের ভাষ্য অনুযায়ী তিনি তারবাড়ী বাংলাদেশের যশোর জেলার অভয়নগর থানার বেজিরডাঙ্গার বুড়িয়াডাঙ্গা গ্রামে উল্লেখ করেছেন। তবে অনুসন্ধানে জানাগেছে জাহাঙ্গীরে বাড়ী অভয়নগর উপজেললার ৭নং শুভরাড়া ইউনিয়নের বাশুয়াড়ী গ্রামেযেখানে তার শ্বসুরবাড়ী ।রয়েছেসেখানে তার পাকাবাড়ী । তবে তিনি জীবিকার তাগিদে নওয়াপাড়ায় থাকাকালে গুয়াখোলারভোটার হয়েছিলেন। এবং ভোটার হয়েছেন নওয়াপাড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের গুয়াখোলার। তার বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের থাকা জাতীয় পরিচয় পত্রের ভোটার এন্ট্রিসার্চ নং ১৯৬৬৪১২০৪০৬৭৪৭৯৫১ ভোটার সিরিয়াল নং ১৮২০ ভোটার আইডি নং ৪১১১৩২৭৪৭৯৫১ এবং স্ত্রীর নাম মনোয়ারা বেগম। এই জাহাঙ্গীর আলমের সাজার মেয়াদ দীর্ঘ চার বছর অগে শেষ হয়ে গেলে ও আজও জেলখানা থেকে বাইরে অসতে পারেন নাই। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানালেন তার দুটি সন্তান নিয়ে নিদারুন কষ্টে সোপার জুট মিলে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেকোন রকমখেয়ে নাখেয়ে তাদের চলেছে। বড় মেয়ের বয়স ১২ বছর আর ছোট মেয়ের বয়স ৮বছর তাদের কে বাড়ী রেখে খাবার সন্ধান করতে হচ্ছে এখন তার ।