সাতক্ষীরার গাবুরায় টেকসই বেড়িবাঁধের দাবীতে মানববন্ধন

20

খবর বিজ্ঞপ্তি:

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ সাতক্ষীরার শ্যামনগরের দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় ত্রাণ নয়, টেকসই বেড়িবাঁধের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন ) বেলা ১২ টায় শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের নীলডুমুর খেয়াঘাট এলাকায় গাবুরা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আয়োজনে দুইঘন্টা ব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করে। এতে খোলপেটুয়া ষ্টুডেন্টস কেয়ার সোসাইটি, গাবুরা আইডিয়াল ক্লাব, গাবুরা অগ্নিবীণা একতা যুব সংঘ, স্বপ্ন চুড়া ফাউন্ডেশন, ইনিশিয়েটিভ ফর স্যোশাল হারমনি, আলোর দিশারি যুব সংঘ, উমর স্মৃতি সংঘ, স্যোশাল প্রাইড ফাউন্ডেশন, গাবুরা রক্তদান সংস্থা, সৃষ্টি হিউম্যান রাইট সোসাইটি, ডুমুরিয়া তরুণ সংঘ এবং আমার ১৯ ফাউন্ডেশনসহ ৩২টি সামাজিক সংগঠনের সহস্রাধিক তরুণ যুবকরা অংশ গ্রহণ করে।
এসময় বক্তব্য রাখেন গাবুরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য আবিয়ার রহমান, গাবুরা ইউনিয়নের শ্রমিক লীগের সভাপতি বখতিয়ার রহমান, সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটির উপজেলা সভাপতি ডা: দবির উদ্দিন, গাবুরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন, গাবুরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ঢাকা জোনের সভাপতি আমান উল্লাহ আমান, খুলনা জোনের সভাপতি আলমগীর হোসেইন, সাতক্ষীরা জোনের সদস্য খান আবু খান প্রমুখ।
বক্তরা বলেন, গাবুরা দ্বীপ ইউনিয়ন হওয়ার আমাদের সব সময় বাঁধ ভাঙা নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। আকাশে মেঘ দেখলে আতঙ্কে আমাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন উপকূলে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে। কিন্তু আইলার ১০ বছর পরও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। এরপর আরোও কিছু ঝড় উপকূলে আঘাত হানে। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় আম্পানে শ্যামনগর ও আশাশুনির বেড়িবাঁধগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এই এলাকায় মানুষ খুবই দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছে। অনেক মানুষ এখনও বাঁধের ওপর মানবেতার জীবন যাপন করছে। এই এলাকায় অনেক মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে অন্য এলাকায় চলে যাচ্ছে তারা আর ফিরে আসছে না। এখানে দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোতে। মানুষের কষ্টের সম্পদ কিছু দিন পর পর এককটি দুর্যোগ এসে সব নিয়ে চলে যাচ্ছে।
বাঁধের জন্য উপকূলের মানুষকে এখনও আন্দোলন করতে হচ্ছে। আমরা ত্রাণ নয়, টেকসই বেড়িবাঁধ চাই। দ্রুত টেকসই বাঁধের দাবীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তরা।