খুলনা জেলায় নির্দিষ্ট সময়ের পরে চলছে বেঁচাকেনা

61
ব্যুরো চিফ খুলনা
নোভেল করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) প্রতিনিয়ত বাড়ছে সনাক্তকারী রুগি দিন যতই যাচ্ছে ঠিক ততই অবস্থার অবনতি হচ্ছে খুলনা জেলার। খুলনা বিভাগের ভীতর খুলনা জেলায় সবচেয়ে করোনায় আক্রান্তের রুগি বেশি। সরকার থেকে বিভিন্ন চেষ্টা করলেও কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না জনগন কিছুদিন আগেও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিলো বিকাল ৪ টার পরে ওষুধের দোকান বাদে সবকিছু বন্ধ থাকবে। সব সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে না করলে জরিমানা থেকে জেল ও হতে পারে। এই আদেশটা পূর্নতা পেল না, থেকে গেল কাগজে আর কলামের ভীতরে সীমাবদ্ধতা। খুলনা জেলার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা যায় মানুষের কেনাবেচা মুখে নেই মাস্ক নেই কোন সামাজিক দূরত্বের বালা। অনেক জায়গাতে দেখা যায় পুলিশ আছে কিন্ত আইনের ব্যবহার নেয় পুলিশের সামনের দোকানীরা বেচাকেনা করছে পুলিশ চুপচাপ বসে আছে যেখানে পুলিশের কর্তব্য আইন মেনে আইন ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কিন্ত অনেক জায়গাতে ঘটছে তার বিপরীত চিএ। এই অবস্থাতে প্রশাসন যদি কঠোর না হয় তাহলে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করা মোটেও সম্ভব নয় কারন যেখানে জন সমাগম বেশি থাকে সেখানে করোনা ভাইরাসে ছড়াতে পারে। যে সকল স্থানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পুলিশের চোখে ধূলা দিয়ে প্রতিনিয়ত বেচাকেনা করছে সেই উল্লেখযোগ্য স্থান গুলো হলো, ফুলতলা, নতুনহাট, শিরোমনি, দৌলতপুর বয়রা বাজার, সোনাডাঙ্গা, শিববাড়ির মোড় সহ আরো অনেক স্থান। জনমনে একটাই প্রশ্ন এতো আইন নিয়ম নীতি হওয়ার পরও জনগন কি করে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এক্ষেএে দরকার প্রশাসনের কঠোর নজর দারী তাহলে হয়তো সব কিছু মানতে বাধ্য হবে জনগন তা না হলে করোনায় আরো বহুগুনে আক্রান্ত হবে জনগন। দ্বিতীয় প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসবে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য