বয়রায় সন্ধ্যার পরও দোকানপাট খোলা : কর্তৃপক্ষ দেখবেন কি ?

30
খুলনা থেকে জাহিদুর রহমান 
নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর ভয়াল থাবাতে আক্রান্ত খুলনাবাসী। প্রতিদিনই খুলনায় অধিক পরিমাণে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকার জনগন। সরকার থেকে ইতিমধ্যেই খুলনা জেলাকে রেড জোনে লকডাইন করা হয়ছে। খুলনা জেলা প্রশাসক এর কার্যালয় থেকে এক বিঙ্গপ্তিতে জানানো হয়, বিকাল ৪ টার পরে ওষুধের দোকান বাদে সবকিছুই বন্ধ থাকবে। সর্ব ক্ষেএে মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে ব্যাবহার না করলে ৬ মাসের জেল থেকে শুরু করে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। এই নিয়ম যেন কাগজে কলামে সীমাবদ্ধতা থেকে গেলো। আইন আছে কিন্ত আইনের তোয়াক্কা নেই। শুক্রবার রাতে অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে কিছু ব্যবসায়ীদের আসল চিএ। গভীর রাত পর্যন্ত কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সরকারের কোন আইন না মেনেই আগের মতন চালিয়ে যাচ্ছে তাদের বেচাকেনা অনেকেই মাস্ক বিহীন অবস্থায় চলাফেরা করছে জনগনের মাঝে নেই কোন সামাজিক দূরত্ব। বয়রা বাজার বাস ষ্ট্যান্ড রোডের পাশেই দোকান নিউ অবসর বেকারী, কিবরিয়া কনফেকশনারি, মাহফুজ কনফেকশনারি, উওম ব্যারাটি স্টোরসহ অনেক দোকানপাট খোলা থাকতে দেখা যায় গভীর রাত পর্যন্ত। অন্যদিকে রাস্তার বিপরীত পাশে প্রতিনিয়ত প্রশাসনের লোক দাড়িয়ে থাকে ডিউটি অবস্থায়। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, বয়রা বাজারের জন্য কি আলাদা আইন তাই না হলে প্রশাসন কেন নীরব ভূমিকা পালন করছে। প্রশাসনের সামনেই সবকিছু হচ্ছে কিন্ত প্রশাসনের কোন ভূমিকা নেই। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা মনে করেন রাতের বেলায় ম্যাজিষ্ট্রেট আসতে পারবে না আর তাদের জরিমানাও হবে না তাই নিবিড়ে দোকান চালিয়ে যাচ্ছে সকলে। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন প্রশাসন যদি কঠোর ভাবে সরকারের আইনকে মেনে বয়রা এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাহলেই হয়তো করোনা ভাইরাসে আক্রমণ হওয়ার আশংঙ্কা কম হতে পারে। কারন সামাজিক দূরত্ব না মানলে অথবা অধিক জনগন এক জায়গাতে থাকলে করোনাভাইরাসের সংক্রমন ছড়াতে পারে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।