আইন আছে, তোয়াক্কা নাই : চা-স্টল সরগরম

111
ফুলতলা থেকে আল আমিন খাঁন
আইন আছে, তবে আইনের প্রয়োগ নাই। নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড ১৯) এর আক্রমণে থমকে গেছে গোটা বিশ্ব। সারা বিশ্বে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনা ভাইরাসের রুগী। খুলনা শহরে ও বাড়ছে করোনা ভাইরাসের শনাক্তাকারী রুগি। কেউ সুস্থ হচ্ছে অনেকে আবার মারা যাচ্ছে। কিছুদিন আগেও ফুলতলার ইষ্টানগেটে করোনা রুগি শনাক্ত করা হয়েছে। জনগনকে করোনা ভাইরাসে সংক্রমন থেকে রক্ষা করতে অকালে জীবন দিতে হয়েছে পুলিশ, সাংবাদিক ও ডাক্তার সহ অনেকেরই।  প্রশাসন হাজারো রকম পদক্ষেপ গ্রহন করলেও কিছু ব্যবসায়ী সরকারের আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের বেচাকেনা।
গত ২৯ মে  খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হাট বাজার, দোকান পাট, এবং শপিংমলসহ আবশ্যিকভাবে বিকাল ৪ টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে এই আদেশ জারি করেন মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খুলনা এবং সভাপতি  জেলা পর্যায়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটি। সর্বাবস্থায়ই মাস্ক পরিধান করতে হবে। এই আদেশ অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানানো হয়। তবে বিজ্ঞপ্তি থাকলেও সেটি কাগজে কলমে। বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। রোববার সরেজমিনে রাত সাড়ে ৭টার দিকে গেলে ফুলতলা উপজেলাধীন কয়েকটি চায়ের স্টলে ভিন্ন চিত্র দেখা মেলে।
নতুন হাট নামক স্থানে আঃ রউফের চায়ের দোকান, পথেরবাজার মকুলের চায়ের দোকান, ইস্টাণগেট নান্নুর চায়ের দোকান, ফুলতলা উপজেলা বাউন্ডারীর মধ্যে  আইয়ুব আলীর চায়ের দোকান, ফুলতলা বাজারের মধ্যে ইমরানের চায়ের দোকানসহ বেশ কয়েকটি টি স্টলে রাত পর্যন্ত চায়ের ব্যবসা চলে। তবে চায়ের দোকানে ক্রেতাদের আনোগোনা বা ভীর বেশি হলে করোনা সংক্রমন হওয়ার ঝুঁকি সবথেকে বেশি থাকে। ফলে পুলিশ প্রশাসনের চায়ের দোকানের উপর সজাগ দৃষ্টি সবথেকে বেশি। কারণ করোনা সংক্রামন হয় একাধিক মানুষ সামাজিক দুরত্ব না মানলে। আর বেশিরভাগই সামাজিক দুরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়না চায়ের দোকানগুলোতে। 
এ দিকে সবথেকে বেশি জমজমাট রউফের চায়ের দোকানে বিকাল হলেই উঠতি বয়সি তরুণদের ভির থাকে। বিভিন্ন এলাকাথেকে ওই তরুণরা বাইকেযোগে স্পেশাল চা খেতে আসে। ফলে অনেকটা করোনা ঝুঁকি থাকে এই চায়ের দোকানটিতে।
সচেতন মহল মনে করেন, চায়ের দোকান গুলোতে সামাজিক দুরত্ব সহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। তবে সরকারেরও বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে রাখতে হবে।
ফুলতলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পারভীন সুলতানার সাথে তিনি জানান, সরকারি আইন অবশ্যই সকলকে মানতে হবে। যারা এধরনের কাজ করছে তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে ।