খুলনায় মার্কেট খোলার প্রথম দিনে উপচেপরা ভির, কারোনা সংক্রমণ বাড়ার আশংকা

16

স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো এলাকার ১৭টি মাকেট রোববার থেকে খোলা হয়েছে। প্রথম দিনেই মার্কেটগুলো লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
কিন্তু এসব মার্কেটে নামমাত্র স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দূরত্বের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। ফলে কারোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, মার্কেট খোলা হলেও খুলনার কেডিএ নিউ মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার এক বৈঠকে তারা ঈদের আগে নিউ মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া নগরীর অন্যান্য শপিংমলগুলোও এখনও খোলেনি।
রোববার থেকে খুলে দেয়া মার্কেটগুলো হচ্ছে, খুলনা শপিং কমপ্লেক্স, দরবেশ চেম্বার ও নিক্সন মার্কেটসহ খুলনা রেলওয়ে সড়কের ১১টি মার্কেট, খুলনা বিপনী কেন্দ্র, খুলনা বিপনী বিতান ইত্যাদি। সকাল থেকে এসব মার্কেট খোলার পর পরই ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। মার্কেটে ভিড়ের কারণে নগরীর প্রতিটি সড়কেই যানজট লেগে আছে। যানবাহনের ভিড়ে পথচারিরাও যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়ছে।
খুলনা বিপনী কেন্দ্র দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মাসুম বলেন, প্রতিটি মার্কেটের সামনে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এমনকি দোকানের কর্মীরাও মাস্ক ও গ্লোভস পরে দোকানে এসেছেন। মার্কেট এলাকায় কোন গাড়ীও প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজি আমিনুল হক বলেন, মার্কেট খোলা বা বন্ধ রাখার জন্য কাউকে জোর করা হয়নি। তবে, যারা দোকান খুলেছে, অবশ্যই তাদের স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই দোকান খুলতে হবে।
এদিকে, ঈদ-উল ফিতরের আগে খুলছে না অভিজাতদের কেনাকাটাস্থল খুলনা নিউ মার্কেট। রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত খুলনা নিউ মার্কেটের ব্যবাসায়ীদের সভায় ঈদের আগ পর্যন্ত নিউ মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হলো বলে জানিয়েছেন নিউমার্কেট দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল গফফার বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসিদুর রহমান।