28 C
Dhaka
Friday, October 30, 2020
Home সারা বাংলাদেশ খুলনা বিভাগ যশোরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব

যশোরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব

15
 ব্যুরো চিফ খুলনা
নোভেল করোনা ভাইরাস ( কোভিড -১৯) এই মহামারী ভাইরাসের হাত থেকে বাচাতে গত ২৬ এপ্র্রিল যশোর জেলা প্রশাসন যশোরকে লকডাউন ঘোষণা করেন এবং ৩০ এপ্রিল সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে যশোর বড় বাজারের কাচা বাজার ও মাছ বাজারকে ঈদগাহ মাঠ এবং টাউনহল মাঠে স্থানন্তর করেন।
প্রশাসন ও সরকারি সকল নিয়ম নীতি মানছে না অনেকেই। মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে বিনা প্রয়োজনে শহরের এসে ঘোরাঘুরি করছে। ফলে ভীড় বাড়ছে। অন্যদিকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যে বাজার স্থানন্তর করা হয়েছে সেখানেও মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। গা ঘেষাঘেষি করে বাজার করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। নেই স্বাস্থ্য সচেতনতা মুখে নেই মাস্ক হাতে নেই গ্লোবস। এদিকে সরকারী ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১০ মে সকল দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই যশোরে বাড়ছে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রতিযোগিতা। ঘোষণার পরপরই তারা দোকান খুলতে শুরু করেছেন। মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে বসছে আগের মতন আড্ডা। এ ব্যাপারে প্রশাসনের তেমন কোনো তাদারকি নেই বললেই চলে। যশোরের বিভিন্ন এলাকাঘুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জনসমাগম বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণে। বড় বাজারে ঢোকার প্রবেশ মুখে ব্যারিকেট দেওয়ার পরও মানুষ তা মনছে না। সকালে এক পুলিশ সদস্য ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে ব্যারিকেট সরিয়ে মটোরসাইকেল নিয়ে বড় বাজারে প্রবেশ করে। এতে পাশে থাকা একজন হকার বাধা দিলে ঐ পুলিশ সদস্য তাকে হুমকি দিয়ে চুপ করিয়ে দেয়। পাশেই টহলরত পুলিশ সদস্যরা থাকলেও তাদের কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। শহরের এমন পরিস্থিতি দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। তাদের মতে এমনভাবে চলতে থাকলে যশোরও চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। এদিকে আজ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল ল্যাবে পরিক্ষা করে ১৪টি নমুনা করোনা পজেটিভ বলে শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে যশোর ও মাগুরায় ৩ টি এবং চুয়াডাঙ্গার ৮ টি নমুনা রয়েছে। এলাকাবাসী মনে করেন এভাবে চলতে থাকলে জনগন কোন ভাবেই করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাবে না। এলাকাবাসীর দাবি সকলেই যেন সকল নিয়ম মেনে চলাচল করে আর এজন্য দরকার প্রশাসনের নজরদারী।
Attachments area