আফিলজুট মিলের সেই আনছার আলী ভাই এখন শুধু স্মৃতি

196

আবু হামজা বাঁধন, ডেক্স রিপোর্ট

চল্লিশ দশক ধরে খুলনার খানজাহান আলী থানার আফিলজুট মিল এলাকার অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম নসু-আনছার। শ্রমিক নেতা নসুর মৃত্যুর দীর্ঘ দিন পর সকলের প্রিয় আনছার আলী ভাইও এখন স্মৃতির ফ্রেমে বন্দি। দক্ষিনবঙ্গের এক সময়কার রাজপথ কাঁপানো শ্রমিক নেতা শেখ আনছার আলী বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না—-রাজউন) ।

তাঁর মৃত্যুতে খুলনার শ্রমিক বেল্টে শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে। শ্রমিকলীগের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে শেখ আনছার আলী একাধিকবার নির্যাতন সহ্য করেছে। তাঁর সাথে রাজনীতিতে সমকালীন যারা ছিল অনেকে আছে আবার অনেকেই মারা গেছেন। যারা বেঁচে আছেন তারা শেখ আনছার আলীর মৃত্যুতে ভেঙ্গে পড়েছেন। খুলনার অন্যতম প্রবীন শ্রমিক নেতা কমরেড হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর পর আবারও খুলনাবাসি এক বড় মাপের শ্রমিক নেতাকে হারালো। আনছার আলীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলেও শোক নেমে এসেছে। আনছার আলী দীর্ঘ দিনের কর্মময় এলাকা আফিল জুট মিল এলাকায় কান্নার রোল বয়ে যাচ্ছে। সাংবাদিক মহলেও শোক বিরাজ করছে। কেননা আনছার আলী শ্রমিক রাজনীতির পর আরো একটি বিষয়কে আপন করে নিয়েছিলেন সেটি হলো সাংবাদিকতা পেশা। এক হিসেবে ধরা যায় খানজাহান আলী থানা এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় শেখ আনছার আলী-ই প্রথম পর্দাপন করেন দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার মধ্যে দিয়ে। শেখ আনছার আলী জীবনে অনেক বড় বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পেলেও নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছান্দবোধ করতেন। দীর্ঘ দিন পর শ্রমিক রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করেও তিনি কখনও অবসর পায়নি। শ্রমিকদের দাবি আদায়ের যে কোন মিছিলে সর্বপ্রথমেই যে মানুষটিকে দেখা যেত তিনি হলেন শিরোমনির কৃতি সন্তান শেখ আনছার আলী কে। মানুষটি মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত শ্রমিকদের জন্য ভেবেছেন। বরেণ্য এই শ্রমিক নেতার চলে যাওয়া এক অপুরনীয় ক্ষতি হিসেবে মনে করেছেন খুলনাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ।

শেখ আনছার আলীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুন অর রশীদ, খুলনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ, খুলনা মহানগর আওয়ামীলেীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব বেগ লিয়াকত আলী, খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠিনক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, ফুলতলা উপজেলার চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন, ফুলতলা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পি,  খানজাহান আলী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক আনিসুর রহমান, স.ম রেজোয়ান, মৃনাল হাজরা,  খ.ম লিয়াকত, যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান, আশরাফুল আলম কচি। খানাজাহান আলী থানা বিএনপি’র পক্ষ থেকে শোক জ্ঞাপন করেছেন থানা বিএনপি’র সভাপতি মীর কায়সাদ আলী।

গণমাধ্যম পাড়া থেকে শোক ও গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন খুলনার এশিয়ান টিভির বিভাগীয় ব্যুরো চীফ বাবুল আকতার, দৈনিক প্রবাহের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মুহাম্মাদ নুরুজ্জামান, এম এ আজিম, দৈনিক ঢাকা রিপোর্ট পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মুশিফিক সুভ, সিআইএনটিভি২৪ এর নির্বাহী সম্পাদক আবু দাউদ ইমরান,

খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটি’র সভাপতি ও  সিনিয়র সাংবাদিক শেখ বদর উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাফেজ সরকার, সহ সভাপতি এম শফি উদ্দিন, মুক্তি মাহমুদ, সাইফুল্লাহ তারেক, গাজী মাকুল উদ্দীন, শংকর বিষ্ণু বাবুল, অনিমেশ কুমার মন্ডল, মিহির রঞ্জন বিশ্বাস।

অনুরুপ ভাবে বিবৃতি দিয়েছেন খানজাহান আলী থানা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোশারেফ হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক শেখ আসলাম হোসেন, মোড়ল মুজিবর রহমান, মিয়া বদরুল আলম মনু, আনন্দ কুমার স্বর,জিয়াউল হাসান,

ফুলতলা থানা সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এর পক্ষ থেকে শোক জানিয়েছেন প্রেস ক্লাব ফুলতলার সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক সেকেন্দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নেছার উদ্দিন, দৈনিক পূর্বাঞ্চল প্রতিনিধি শেখ মনিরুজ্জামান খান, উপজেলা প্রেস ক্লাব ফুলতলার সভাপতি শামছুল আলম খোকন, সেক্রেটারী মাজাহারুল ইসলাম ,প্রেস ক্লাব আড়ংঘাটার সেক্রেটারী ইমদাদুল হক মিলন, সাংবাদিক রেজোয়ান আকুঞ্জী রাজা।

সি আইএনটিভি২৪ এর বিশেষ প্রতিনিধি ইনসাফ আহমেদ, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো আল আমিন, স্টাফ রিপোর্টার জসিম সেখ বাচ্চু, খুলনা জেলা প্রতিনিধি মামুন মোল্যা, এম হুসাইন সাব্বির (প্রমুখ)