ঝিনাইদহে স্বাস্থ্য সচেতনতা মানছে না জনগন

10
মোঃ আল আমিন খান, ব্যুরো চিফ খুলনা  
নোভেল করোনাভাইরাস (কোভিড -১৯)  সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যে অবরুদ্ধ অবস্থায় ঝিনাইদহে মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রশাসনের সসদ্যরা। এখানে সামাজিক দূরত্ব মানছে না মানুষ। হাট-বাজারে ভিড় করছে। গায়ে গা ঘেঁষে চলছে কেনা-বেচা। মুখে নেই অনেকের মাস্ক হাতে নেই গ্লোবস। বিকাল ৬ টার পরে সবকিছু বন্ধ ঘোসনা থাকলে মানতে ইচ্ছুক না কিছু ব্যবসায়ী মহল। আবার কিছু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের চোখে ফাকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের বেচাকেনা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা শহরে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও ঝিনাইদাহ উপজেলা শহরগুলোতে হাট-বাজার
গুলোতে মানুষের ভিড় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ভ্যান, ইজিবাইক, নসিমন ও অটোরিকশা চলাচল করছে। মানুষ গাদাগাদি করে যাতায়াত করছে প্রতিটা সময় জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাখ বলেন, “মানুষকে ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য ঠেকানো যাচ্ছে না। তারা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও করা হচ্ছে। মানুষ সচেতন হচ্ছে না। হাট-বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে না। এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে সাধারণ মানুষ। ঝিনাইদহ জেলায় এ পর্যন্ত ২১ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে বলে জানান তিনি। পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পুলিশ মানবিক আচরণ করছে। কিন্ত জনগন যদি সরকারি আদেশ অমান্য করে তাহলে প্রশাসন কঠোর হতে বাধ্য হবে।