করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পুলিশের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন খুলনা পুলিশ সুপার

60
 ব্যুরো চিফ, খুলনা
বৃহস্পতিবার এক শোক বার্তায় করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ঢাকায় পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল খালেক, ট্রাফিক কনস্টেবল আশেক মাহমুদ ও জসিম উদ্দিন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ।
এসময় তিনি বলেন, এএসআই আব্দুল খালেক, কনস্টেবল আশেক মাহমুদ ও জসিম উদ্দিন নিজেদের জীবন দিয়ে দেশের মানুষের নিরাপত্তা দেয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তারা বাংলাদেশ পুলিশের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। খুলনা জেলা পুলিশ গভীর শ্রদ্ধার সাথে তাদের এ আত্মত্যাগ স্মরণ করছে। উল্লেখ্য, এএসআই আবদুল খালেক মিরপুরে পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি একাডেমি মসজিদে ইমামতি করতেন। বুধবার ঢাকা আরামবাগের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দুই মেয়ে ও এক ছেলের জনক আবদুল খালেকের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলায়। কনস্টেবল আশেক মাহমুদ রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৬ এপ্রিল অসুস্থতা বোধ করায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। এক দিন পরই তাঁর দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। আশেক মাহমুদ রাজারবাগ ট্রাফিক ব্যারাকে থাকতেন। স্ত্রী ও দুই ছেলে রয়েছে তাঁর । আশেক মাহমুদের গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহে।
কনস্টেবল জসিম উদ্দিন (৪০) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইং ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। জসিম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ী কুমিল্লা জেলার বুড়িচং।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরনকারী পুলিশ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোসহ শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি খুলনা পুলিশ সুপার গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।