খুলনায় করোনা সংক্রমণের শঙ্কার মধ্যে আছে রেলওয়ে নিরাপত্তার সদস্যরা

22
ব্যুরো চিফ, খুলনা
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শঙ্কার মধ্যেই আছে খুলনা রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য লকডাউনের মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী। প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা থেকে রক্ষা পেতে মাস্ক,গ্লোবস সহ কোনো ধরনের সুরক্ষা উপকরণ ছাড়াই এ বাহিনীর সদস্যরা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। যার কারণে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা। খুলনার রেল স্টেশনের রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা জানান, তাদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই। মহামারি করোনা ভাইরাসের জন্য যখন সারাদেশ লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। এমন সময় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর একজন করে সিপাহী কোনো স্বাস্থ্য সুরক্ষা ছাড়াই খুলনা রেলস্টেশন থেকে পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশনে ১০ দ ডিউটির জন্য পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে যারা ডিউটি শেষ করে এসেছেন, তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখারও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আসার সঙ্গে সঙ্গে খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে ডিউটি করানো হচ্ছে। এর ফলে খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের রেলওয়ে কর্মচারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং আশে পাশের জনগণ ঝুঁকিতে আছেন। করোনা সুরক্ষার জন্য প্রথমদিকে যেসব উপকরণ দেওয়া হয়েছিল তা পেয়েছেন খুলনার কয়েকজন অফিসার ও সিপাহী। যা দিয়েছিলো তা হলো অনটাইমের। খুলনা স্টেশনে কর্মরত প্রায় শতাধিক সিপাহীয়ের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জনকে সুরক্ষার সরঞ্জাম দেওয়া হয়। এ বিষয়ে কথা হয়, বিভাগীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডেন্ট রেজওয়ান-উর-রহমান এর সাথে তিনি বলেন,  নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের করোনার সুরক্ষা উপকরণ দেওয়া হয়েছে। মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, স্যানিটাইজার দেওয়া হয়েছে। যাদের স্যানিটাইজার দেওয়া হয়নি তাদের সাবান দেওয়া হয়েছে। তারা যদি ব্যবহার না করে আমরা কি করবো। বিশেষ করে যারা মালগাড়ি বা তেলের গাড়ি নিয়ে যাচ্ছে তাদের গাড়িতে সব কিছুই দেওয়া হয়েছে। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী ১০ দিন থেকে আসা সদস্যরা খুলনা স্টেশনে এসেই আবার ডিউটি করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, এটা হতে পারে। যদি এটাই হয় তাহলে জনমনে প্রশ্ন থেকে যায় কতটুকু করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে পারবে খুলনাবাসী।