মশিয়ালী সাংবাদিক বাঁধনের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা, থানায় এজাহার

224

আল আমিন খাঁন-খুলনা ব্যুরো
খুলনার খানজাহান আলী থানার মশিয়ালীগ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শরীফ ওবায়দুর রহমান চয়ন ও তার সঙ্গবদ্ধ বাহিনী মিনাবাজারস্থ সাংবাদিক আবু হামজা বাঁধনের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। হামলায় রবিউল ইসলাম মানিক নামে একজন আহত হয়। এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানায় চয়ন শরীফ সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে রোববার এজাহার দায়ের করা হয়।
জানাযায়, ২০১৮ সালের ১৭ জুলাই মাদক আইনে চয়নের বিরুদ্ধে কেএমপি ডিবি খানজাহান আলী থানায় মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-১০। ইয়াবা ব্যবসার সাথে চয়নের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করলে দৈনিক ঢাকা রিপোর্টের বিশেষ প্রতিনিধি আবু হামজা বাঁধনকে চয়ন আদালত থেকে জামিনে এসে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনার জের ধরেই শনিবার (১৮ এপ্রিল ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাংবাদিক বাঁধনের বাসভবনে শরীফ ওবায়দুর রহমান চয়ন ও তার পোষ্য ক্যাডার বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। সূত্রে জানাযায়, বাসভবনের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ সহ অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে এবং বাঁধনকে ঘরের থেকে বের করে গুলি করার হুমকি দেয় চয়ন শরীফ। দীর্ঘ ১০ মিনিট নারকীয় তান্ডব চালানোর পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চয়ন বাহিনী ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এলাকাবাসি জানায়, কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই চয়ন এবং তার বাহিনী জাহাঙ্গীর হোসেন খোকার বাড়ির উঠানের মধ্যে দিয়ে গিয়ে বাঁধনের বাসভবনের দিকে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। খানজাহান আলী থানার ওসি শফিকুল ইসলামের নির্দেশক্রমে তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন এবং হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যহত রাখে।

ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, মাদক ব্যবসায়িদের বিষয় আমরা জিরো টলারেন্স। চয়ন শরীফের বিরুদ্ধে এর আগে আরো অভিযোগ রয়েছে। অচীরেই তাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, আফিলজুট মিল শ্রমিক কলোনীর বাসিন্দা শরীফ শামছুর রহামনের পূত্র চয়ন শরীফের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, মাদক মামলা সহ একাধিক জিডি রয়েছে বিভিন্ন থানায়। আলীম জুট মিলের শ্রমিক নেতা খলিল মার্ডারে অন্যতম প্রধান আসামী চয়ন যাবজ্জীবন সাজা হয়েছিল । উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে চয়ন মশিয়ালী গ্রাম সহ বিভিন্ন স্থানে নানা অপকর্ম ও মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্য পাওয়া যায়।