সন্ধ্যা নামতেই ফুলতলা বাজার যেন ভূতরে পরিবেশ

172
মোঃ আল আমিন খান 
শুক্রবার সন্ধ্যার পর বিভিন্ন অলি গলিতে ঘুরে দেখা যায় পুরো ফুলতলা বাজার অন্ধকারে আবদ্ধ। নেই কোন দোকানপাট খোলা পুরো এলাকা জুড়ে করা হয়েছে লকডাইন। নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড ১৯) আতঙ্কিত হয়ে সূর্যের আলো ডোবার আগেই জনগন ফিরছে তাদের নিজ ঠিকানায়। জনসচেতনা ও জন সমাগম এড়াতে কঠোর দায়িত্ব পালন করেছে ফুলতলা থানা পুলিশের সকল সদস্য। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশের নিয়মিত টহলের কারনেই বাজারে রাতের বেলায় জনগন প্রায় শূন্য। কথা হয় কিছু ওষুধ বিক্রেতাদের সাথে তারা জানান রাস্তায় কোন লোকজন নেয় ভয়ে আতঙ্কে সকলেই ঘরে তাই ক্রেতা না থাকাতে আমরাও থাকছি না বিনা প্রয়েজনে। রাতে দেখা যায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী আর হাতে গোনা কয়েকজ মাএ। কিন্ত প্রতিটা ওষুধের দোকান খোলা রাখার কথা ছিলো ডিসি অফিস থেকে। সকল ওষুধের দোকান যদি রাতে বন্ধ থাকে তাহলে জরুরি রুগি ওষুধ কিনতে অনেকটায় সমস্যা হবে বলে মনে করে এলাকাবাসী। সন্ধ্যার পরে সকলে লকডাইন মানলে দিনের আলোয় দেখা মেলে ভিন্ন চিত্র। কেউ আসে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে কেউ বা আবার আসে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি কেমন সেইটা দেখতে। সকালের দূশ্য দেখলে মনে হয় যেন করোনা ভাইরাসের আতঙ্গ জনগনের ভীতরে নেয়। নেই কোন দূরত্ব নেই কোন স্বাস্থ্য সচেতনতা। সকাল ও রাতের দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। সাধারন জনতা মনে করেন সকালে বাজারের প্রতিটা অলি গলিতে বিনা প্রয়োজনে যে ভাবে লোক সমাগম থাকে তাতে করোনাভাইরাস কতটুকু প্রতিরোধ করতে পারবে বলে জনমনে প্রশ্ন। তাই জনসংগম এড়াতে বিনা প্রয়োজনে জনগন যাতে ঘোড়াঘুড়ি না করে সেদিকে প্রয়োজন প্রশাসনের আরো কঠোর পদক্ষেপ।