আফিলগেট বাইপাস সবুজের দোকানে কিশোরদের আড্ডা

405

 

সারা দেশ করোনা ভাইরাস সংক্রমনে আতংকিত । প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিল বড় হচ্ছে। সাথে নতুন শনাক্ত রোগির পরিসংখ্যান উর্ধমূখী। ফলে সরকার পুলিশ প্রশাসন সহ সেনাবাহিনী নামিয়েছে সাধারন মানুষদের ঘরমুখী করতে । এদিকে খুলনা জেলা প্রশাসক এক প্রজ্ঞাপনে বিকাল ৫টার পর  ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আদেশ জারি করেছেন। তবে চায়ের দোকান গুলো কোনভাবেই  কোন সময় চালু রাখতে পারবে না বলে জানাযায়। ফলশ্রুতিতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে খুলনার খানজাহান আলী থানাধীন আফিলগেট বিকেএসপি’র সামনে অবস্থিত  সবুজের চায়ের দোকান খোলা থাকায় দৈনিক ঢাকা রিপোর্ট পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি আবু হামজা বাঁধন দোকানী সবুজকে দোকান খোলা রাখার বিষয় জিজ্ঞাসা করেন। এ সময় দোকানী সবুজ সাংবাদিক বাঁধনের সাথে দূব্যবহার করে বলেন, “ দোকানে মাল বিক্রি করছি , কেন তোরে বলতে হবে”  জানিস না আমি কোন সাংবাদিকদের কি করি ?

এছাড়া চায়ের দোকান যখন আড্ডার প্রাণ কেন্দ্র। দেশের চলমান থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েও সবুজের চায়ের দোকানে কিশোর সহ বিভিন্ন বয়সিদের আড্ডা চলে রাত পর্যন্ত। কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দোকান খোলা রাখে দোকানী সবুজ।  এভাবে যদি দোকান আড্ডাখানায় পরিনিত হয় ,তখন করোনা ভাইরাস সংক্রমন যে কোন মুহর্তে ছড়িয়ে যেতে পারে ওই এলাকায়।

বিষয়টি নিয়ে কথা খানজাহান আলী থানার আটরা ফাঁড়ি ইনচার্জ দেবাশীষের সাথে। তিনি জানান, বিষয়টি আমি দেখছি। সরকারের অঘোষিত লকডাউনে পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও মাঠে কাজ করছে। সাংবাদিকতা পেশা নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য কোন ভাবে কাম্য নয়।  তবে সাংবাদিকদের সাথে এ ধরনের দূব্যবহার সত্যিই নিন্দানিয় বলে মনে করেন সচেতন মহল।