মরার উপর খরার ঘা

কবে কাটবে এই আধার? এ যেন রাতের  চেয়েও অন্ধকার

96
রনি মজুমদার, স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্ব জুরে করোনাভাইরাস (COVID19) ছড়িয়ে পরেছে। বাংলাদেশে সহ সারা পৃথিবীতে করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত ১৬ লাখের বেশি এবং বাংলাদেশ এ বর্তমানে ৪০০ এর বেশি আক্রান্ত ও মারা গিয়েছে ৩০  জন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস এর আক্রমনে  নিন্ম আয়ের ও নিন্ম মধ্যেবিত্ত  মানুষের কষ্টের অন্ত নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করা এবং দৈনিক কাজ করা  মানুষের জীবন চালানোর কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে। তার উপরে বাড়িভাড়া নিয়ে আরো বিড়ম্বনায় পড়েছে । মানুষ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরছে তাদের এই বিষয়টি অনেকেই বলছেন,এখন যে পরিস্থিতিতে আমারা আছি তাতে খেয়ে পরে বেচে থাকাই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। বাড়িভাড়া কি ভাবে দিবো। তাদের দাবি বাড়িভাড়া যদি মওকুফ করে দেয় তাহলে সবাই একটু সুবিধা হতো। এই নিয়ে বিভিন্ন  সামাজিক যোগাযোগ  ছড়িয়ে পরেছিলো সরকার নিদেশ দিয়েছে বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিষয়টি গুজব বলেছে।এই বিষয়ন নিয়ে সরকার কোন নিদেশনা দেয় নি।
বর্তমান সরকারের আজ অভূতপূর্ব সফলতায় আজ যদি দেশের একটি বৃহৎ অংশ যারা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখে, বেসরকারি চাকুরীজীবী,  সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ যারা সমাজে সম্মান নিয়ে বেচে আছে কারো কাছে হাত পাতে না, করোনায় লকডাউনে তারা আজ বড় অসহায়। তার মধ্যে আষ্টেপৃষ্ঠে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাড়িয়েছে বাসা ভাড়া।  সরকার তিনমাসের জন্য গ্যাস, বিদ্যুৎ,ও পানি বিল এর বিলম্ব ফি মওকুফ করলেও বাড়িওয়ালারা ছাড়ছেন না ভাড়াটিয়াদের চাপ দিতে।  মাসের শেষ হওয়াতে এখন এই নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ রয়েছে মহা বিপাকে।   মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি এই বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিতেন তাহলে হয়ত চিন্তামুক্ত থাকত একটি বিশাল অংশ, যারা আপনার দিকে চেয়ে দেশের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এখন শুধু অপেক্ষা কবে ফুরাবে আধার রাত, ফিরবে সেই চঞ্চলতা, সেই অপেক্ষায় এখন দিন গুনছে  বাসা ভাড়ার চাপে ঘরে আটকে থাকা মানুষগুলো।জিবন নাকি জীবিকা জটিল এই প্রশ্নের সামনে দার করিয়েছে করোনা। একটাই জিজ্ঞাসা, কবে কাটবে এই আধার?এ যে রাতের  চেয়েও অন্ধকার।