চাকরি বাঁচাতে বেশি ভাড়ায় ঢাকা আসছেন পোশাক শ্রমিকরা

25
মোবাইল বিক্রি করে হলেও বেশি ভাড়ায় ঢাকা আসছেন পোশাক শ্রমিকরা

বেসরকারি ও গার্মেন্টস কর্মীদের ঢাকায় ফিরতে দৌলতদিয়া ঘাটে প্রচণ্ড ভিড় জমেছে। শনিবার দুপুর খেকেই এই ভিড়। এতে সামাজিক দূরত্ব মানতে পারছে না তারা। ফলে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অসংখ্য মানুষ শনিবার দৌলতদিয়া  ফেরিঘাটে এসে ভিড় করেছে পদ্মা পাড়ি দেয়ার জন্য। লঞ্চ ও অন্য ট্রলার পারাপার বন্ধ থাকায় শত শত মানুষ গাদাগাদি করে ফেরিতে পার হচ্ছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার কর্মমুখী মানুষ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-পথ পারি দিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটছেন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ফরিদপুর-দৌলতদিয়া মহাসড়কে পায়ে হেঁটে, ভ্যান-ট্রলি এবং পিকআপ ভ্যানে করে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন পোশাক শ্রমিকরা।

অতি কষ্ট করে দৌলতদিয়া ঘাট পর্যন্ত আসতে এলাকা ভিত্তিক প্রতিজনের  ভাড়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা লেগেছে। ভাড়া যেখানে দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা আর সেখানে এক স্টপেজ থেকে অন্য স্টপেজে যাওয়ার জন্য ভাড়া গুণতে হচ্ছে একশ টাকা তবুও অতিরিক্ত টাকা দিয়েই যাচ্ছেন পোশাক শ্রমিকরা।

সাইদুল নামে আরেক পোশাক শ্রমিক বলেন, আমি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করি। কুষ্টিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাট পর্যন্ত আসতে তার লেগেছে সাড়ে তিনশ’টাকা। পথে যে ভাড়া তার চেয়ে পাঁচ সাত গুণ ভাড়া চাচ্ছে পিক-আপ ভ্যানের চালকরা।  আমার কাছে এত টাকা নাই তাই বাধ্য হয়েই মোবাইল কম দামে বিক্রি করে দিয়ে যাচ্ছি।

 গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান  বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের সব মহাসড়কে আঞ্চলিক গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এছাড়া কাটা গাড়িও বন্ধ আছে এবং এই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। গতকাল থেকে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-পথ পারি দিয়ে তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।