বয়রায় ব্রীজ এনজিও স্বাস্থ্য সতর্কতা মানছে না:  মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাবস ছাড়াই কর্মীরা কাজ করছে

ঠিকমতন কাজ না করলে মালিক আমাদের বেতন কেটে নিবে

44
মোঃ আল আমিন খান, ব্যুরো চিফ খুলনা
রোববার দুপুরে খুলনার বয়রা রায়েরমহল রোডে অবস্থিত ব্রীজ এনজিওর একটি শাখা অফিসে সাংবাদিকরা তথ্য অনুসন্ধান করতে গেলে দেখা যায়, বিশাল বড় এক ভবনের তৃতীয় তলায় কিছু সংখ্যক কর্মী কাজ করছে যাদের বেশিরভাগই  হাতে নেয় হ্যান্ড  গ্লাবস মুখে নেই মাস্ক।  সরকারের নিয়ম কে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এখানকার কিছু শ্রমিক। স্বাস্থ্য বিভাগ যেখানে দিন রাত কষ্ট করে জনগনকে সর্তক করছে নানা উপায়ে করোনা নামক প্রানঘাতী নামক এই ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য।  ঠিক তার অন্য দিকে এই ব্রীজ এনজিওকর্মীরা মানছে না কোন নিয়ম নীতির মালা। কথা হয় কর্তব্যরত কিছু কর্মীদের সাথে কেন নেয় তাদের ভীতরে এই সচেতনতা এই প্রশ্নের উত্তরে তারা বলেন, আমরা তো বাইরে যাচ্ছি না, বাইরে গেলে ভাইরাস লাগবে অফিসের ভীতরে বসেই কাজ করছি তাই ব্যবহারের দরকার পরছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মী বলেন, আমরা ঠিকমতন কাজ না করলে মালিক আমাদের বেতন কেটে নিবে পেটের দায়ে আমরা কাজ করছি। কথা হয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুজ্জামান এর সাথে তিনি নিজেও দেখেন তার এনজিওকর্মীরা অনেকেই মাস্ক গ্লোবস ব্যবহার করছে না এক পর্যাযে তিনি নিজেও স্বিকার করেন আসলে এটা বড় ভুল হয়ছে। ব্রীজ এনজিওর বয়রা শাখার দায়িত্বে থাকা ম্যানেজারের সাথে কথা বলতে গেলে তাকে ঘটনাস্থলেই পাওয়া যায় নি। তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য তাকে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করে না। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগন এগিয়ে না এসে যদি সরকারি নিয়ম নীতি আচার আচরণ বিধি নিষেধ মেনে না চলে তাহলে কতটুকু এই ভাইরাস মুক্ত হবে বলে মনে করেন এলাকার কিছু সচেতন মহল। তাই সকলের দাবি কতৃপক্ষের সজাগ দৃষ্টির অভাবেই হয়তো এমনটাই হচ্ছে। সরকারি নিয়ম থাকা সত্বেও কেন এই এনজিওকর্মীরা মানছে না এই বিষয়টি কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এলাকাবাসী।