কিশোরগঞ্জের হোসেনুপরকে উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা

73

কিশোরগঞ্জ থেকে  তরিক/জাকারিয়া
বর্তমান সরকারের গত ১১ বছরে কিশোরগঞ্জের হোসেনুপর এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার এসেছে এক অমূল পরিবর্তন এবং সেই পরিবর্তনের সংঙ্গে বেড়েছে শিক্ষার মান, যোগাযোগ ব্যবস্থার মান, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের উন্নয়নসহ বেড়েছে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। তারপরেও  থেমে নেই জনপ্রতিনিধিদের  চেষ্টা।  উন্নত নাগরিক সুবিধা সম্পন্ন এলাকা হিসেবে হোসেনপুরকে গড়ে তুলতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ।

সরেজমিনেবিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় বিভিন্ন উন্নয়ন ও বর্তমান সমস্যার কথা  বলেন হোসেনুপর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল বলেন বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় জনগনের দোরগোরায় সকল প্রকারের সেবা স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে পৌছে দিচ্ছে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ঘোষিত ভিশন ২০২১ এর আলোকে উন্নত বাংলাদেশের অংশ হিসেবে হোসেনপুর উপজেলাকে আলোকিত হোসেনপুর উপহার দিতে চাই। আমরা হোসেনপুর উপজেলার সকল নাগরিকের নিরাপদ জীবন প্রতিষ্ঠার জন্য মদক, বাল্যবিবাহ, ইপটেজিং নির্মুলে আইনশৃংখলা বাহিনীর সর্বাত্ত্বক সহযোগীতা পাচ্ছি। তিনি জনগনের ও এলাকার সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই উপজেলার জনগণকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে চাই এবং পাশাপাশি সকল নাগরিক সুবিধা জনগনের দোরগোরায় পৌছে দিতে চাই।
হোসেনপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ আব্দুল কাইয়্যুম (খোকন) তিনি বলেন আমি নির্বাচিত হওয়ার পর ইতিমধ্যে পৌরসভার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ড্রেন নির্মাণ, ছোট ছোট কালভার্ট নির্মাণ, আরসিসি রাস্তা নির্মাণ, ময়লা অপসারণ ব্যবস্থা, পৌরসভার মধ্যে ডাবললেন রাস্তা নির্মাণ এবং সৌন্দর্য বর্ধনসহ রোড লাইটের ব্যবস্থাসহ অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। এবং অনেক কাজ চলমান রয়েছে।
সিদলা উইনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন বলেন, আমার ইউনিয়নের মানুষ শতভাগ বিদ্যুতের সুবিধা পাচ্ছে। আমার ইউনিয়নের প্রধান সমস্যা ছোট বড় সকল রাস্তাসহ সার্বিক যোগাযোগের মান উন্নয়ন করা দরকার। আমার ইউনিয়নের গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করে জনগনের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমার এলাকার সকল বিদ্যালয়গুলো সর্ব সময় আমি মনিটরিং করি ও বিদ্যালয়ের গুনগত মান বজায় রাখার জন্য চেষ্টা করি। জিনারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, আমার ইউনিয়নে জনগনের ভাগ্য কল্যানে কাজ করা আমার দায়িত্ব। আমার ইউনিয়ন ভবন নেই ও মাননীয় সংসদ সদস্য ও প্রধান মন্ত্রীর কাছে দাবী স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ এই ভবনটি করে দিলে জনগণ অনেক উপকৃত হবে।
গবিন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নে যারা ভাতাভোগী রয়েছে তাদের চাহিদা অনুযায়ী যোগান সিমীত। তাই যদি ভাতার কার্ড বাড়ানো যায় সেক্ষেত্রে জনগন উপকৃত হবে। আমি আমার ইউনিয়নকে ভীক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করেছি। আমার মেয়াদকালে জনগনকে একটি আদর্শ ইউনিয়ন উপহার দিতে চাই।