নওয়াপাড়া পৌরসভায় রাস্তা না থাকা প্রায় বিশ পরিবারের দুর্দশা চরমে

115
সবুজ গাজী পৌর-প্রতিনিধিঃ
যশোর অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভাধীন ৪নং ওয়ার্ড মাঠপাড়ায় চলাচলের স্থায়ী কোন পথ না থাকায় একহাতের মাটি তোলা পথে দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড উপশহর মাঠপাড়ার বাসিন্দারা দীর্ঘ ১৫/২০ বছর ধরে এই ভাবেই রাস্তা নির্মান করে যাতায়াত করেই চলেছে,  অথচ আজও তাদের দিকে কোন সরকারেরই জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি পড়েনি। এই ব্যপারে সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়; স্থানীয় প্রায় বিশ পরিবারের সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তা নির্মানের কাজে লিপ্ত থাকতে। তাদের মধ্যথেকে বেশ কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই তল্লাটে রাস্তা নির্মান করতে হলে নিজেদের অর্থ দিয়ে জমি ক্রয় করতে হবে। তারপর পৌরসভার থেকে রাস্তার বাদবাকি কাজ হাতে নিবে।তারা আরও জানান আমরা গরীব অসহায়রা কমদামের জমিকিনে এই-খানে বসবাস করছি। যদি আমাদের অর্থ থাকতো তাহলে ভালো কোথাও জমি কিনে থাকার মতো পরিবেশ করতে পারতাম। কিন্তু এখানে এখন পর্যন্ত যারাই এসেছেন তারা সবাই আমাদের রাস্তা নির্মানের জন্য জমি কিনতে বলে চলে যান।
আমরা প্রতি মাসের পৌরকর রীতিমতো দিয়েই চলেছি অথচ; পৌরসভার কোন সুযোগ সুবিধা এখনও পর্যন্ত আমরা পাইনি। তার মধ্যে গতবছর সরকারের প্রতিশ্রুতি মুতাবেক বিদ্যুৎ ব্যব্স্থা ভোগ করছি সত্য।
আপনারা সাংবাদিকরা আমাদের দুঃখ দুর্দশার কথা উর্ধতন প্রশাসন বিভাগে তুলে ধরে আমাদের চলাচলের জন্য অন্তত ৫ফিট প্রসস্থ ২/৩শ গজের মতো একটি রাস্তা নির্মান করে দিতে সাহায্য করুন। স্থানীয়দের মধ্যে স্বপ্ন কথা সাহিত্য পরিষদ’র পাঠক সেরা পুরস্কার প্রাপ্ত একজন কবি  জানান, ভাই আমার মহল্লাতে একজন মানুষ মারা গেলে মসজিদের খাটিয়া বহন করে লাশ নেওয়ার মতো কোন ব্যব্স্থা নেই। আমরা সরকারের দারস্থ আমাদের দুঃখ বলার কোন তেমন ব্যবস্থাও নেই। আপনারা আমাদের দুঃখ দুর্দশা সরকারের চোখে তুলে ধরতে সাহায্য করুন। আমাদের চলাচল করার মতো একটি রাস্তা নির্মান করে দিতে সাহায্য করুন।
স্থানীয়দের রাস্তার দুঃখ দুর্দশা পর্যবেক্ষণ করতে যেয়ে দেখা যায় আবেগাপ্লুত হয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকারের জনপ্রতিনিধিদের দারস্থে রাস্তার জন্য অনুরোধ করছে।
আমরা চাই নওয়াপাড়া পৌরসভার ৪নং মাঠপাড়া বাসিন্দাদের কথা বিবেচনা করে একটি রাস্তা নির্মান করে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দিবেন বলে আশা করি উর্ধতন কর্মকর্তাদের নিকট।