আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করা হবে : বিএনপি

123

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে দলটির নেতারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সরকার পতনের আন্দোলন একসঙ্গে চলবে। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করা হবে। শনিবার দলের নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। খালেদা জিয়ার কারাবাসের দুই বছর পূর্তিতে বিএনপির ডাকা সমাবেশ থেকে আগামী শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়।

সমাবেশে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্রের আপোসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় রাজনৈতিক কারণে বন্দী রাখা হয়েছে। তিনি গুরুতর অসুস্থ, নিজে খেতে পারেন না, চলতে পারে না। অন্যের সাহায্য নিয়ে চলতে হয়।

নিজের হাতে খেতেও পারেন না। ইতোমধ্যে তার ওজন অনেক কমে গেছে। এই বৈধ্য সরকার প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণে দুই বছর বিনা দোষে আটক করে রাখছে।

অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী নিজের মুখ থেকে সত্য বেরিয়ে গেছে, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। একদিন আগে অর্থমন্ত্রী বললেন সবদিক থেকে অর্থনীতি ঊর্ধ্বমুখী। পরের দিন বললেন অর্থনীতির অবস্থা ভালো না। এরপরও তার চাকরি থাকে কি করে? দেশ এখন দুর্নীতিতে ভাসছে। দুর্নীতির জন্য যুবলীগের প্রেসিডেন্ট, ছাত্রলীগের প্রসিডেন্টকে বাদ দিতে হয়েছে। এককার নিজেদের দিকে তাকান, দেখবেন আপনাদেরকেও বাদ দিতে হবে। দুর্নীতি কারণে রপ্তানি আয় নিচের দিকে, রাজস্ব আয় কমে গেছে কিন্তু দুর্নীতি কমেনি।

আজ দুপুর ২টায় খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশ শুরু হয়। এরআগে দুপুর ১২টা থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে খণ্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে সমাবেত হতে থাকেন। এসময় সমাবেশ থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বেগম জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগানে নয়াপল্টন মুখরিত করে তোলেন।