অভয়নগরের চোর সিন্ডিকেটের মূল হোতা ইলয়াজ গন-পিটুনিতে নিহত

121

মেহেদী হাসান ইরান, স্টাফ্ রিপোর্টার
অভয়নগর উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের শুভরাড়া গ্রামের ভুইয়া বাড়ীর সামনে চোর সিন্ডিকেটের মূলহোতা ইলিয়াজ হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গণপিটুনিতে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খুন, ধর্ষন, চাদাবাজি ছিনতাইয়ের মূল হোতা শুভরাড়া হাকিম শেখের ছেলে ইলিয়াজের নিথর দেহ পড়ে আছে। শত শত লোকের ভিড় ঠেলে লাশের পাশে দেখা যায় ইলিয়াজের পায়ে কোপের দাগ সমস্ত শরিরে রয়েছে লোহার রড জাতীয় পদার্থের অসংখ্যঅ আঘাত। ডানপায়ে পিটুনির কারণে যেন হাড় থেকে মাংস সরে গেছে। মুত্যৃ লাশ দেখছে শত শত লোক। এ বিষয়ে ২নং ওয়ার্ডের মেম্বর নুর আলি জানালেন এই ইলিয়াজের জন্ত্রনায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তিনি আরো বলেন ভাটপাড়া ঋষি পাড়ার মুকুন্দের বাড়ী একটি ইঞ্জিন ভ্যান চুরি করে পালানোর সময় শুভরাড়া গ্রাম দিয়ে পালানোর সময় পাহারা রত দলের সামনে পড়লে দ্রুত সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে পার্শ্ববতি অঞ্চলে মুহুর্তে শতশত লোক উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে গণ পিটুনিতে ঘটনাস্থলে নিহত হয় কুখ্যাত চোর ইলিয়াজ। এ বিষয়ে উপস্থিত জনতার মধ্যে থেকে মল্লিক শওকত হোসেন জানালেন শুভরাড়ার পলি বেগম, রাহি বেগম, রাবেয়া, সবুরণ সহ অনেক মহিলাদের কানের ও গলার স্বর্ণ সম্প্রতি সিনতাই করেছে। খোজ নিয়ে জানা যায় চলতি মাসের প্রথম দিকে একই গ্রামের কাজী আবুল হোসেনের কম্পিউটার নিয়ে পালানোর সময় ধরা খেয়ে যায়। খোজ নিয়ে জানাযায় শত শত চুরি ছিনতাই ও অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এই কুখ্যাত ব্যক্তির নামে। আরো রয়েছে শাশুড়ি হত্যার দায়ের খুণের মামলা খানজাহান আলী থানায়।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টার সময় ইলিয়াজের বাড়ীতে গেলে কাওকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশী আবুল হোসেন জানালেন পেশাদারী চোর হওয়াতে এলাকায় না থেকে খুলনার খানজাহান আলী থানায় সে বসবাস করে।
লাশের পাশে পড়ে থাকা ব্যগে রয়েছে চুরির কাজে ব্যবহৃত আনুসাংঙ্গিক জিনিস পত্র। ঘটনাস্থলে অভয়নগর থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানালেন চোরকে ধরে গণ পিটুনি দিয়ে হত্যা করা থেকে বিরত থাকতে হবে এতে সমাজে বিশৃংখলা হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত লাশের সুরাত হাল করার পর বাশুয়াড়ী পুলিশ ক্যাম্পের মাধ্যমে অভয়নগর থানায় উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।