ঝিনাইগাতি উপজেলা হবে আধুনিক উপশহর

91

জুয়েল ডি সানি, নিজস্ব প্রতিনিধি।।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম.আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম, ধানশাইল ইউ-পি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, নলকুড়া ইউ-পি চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ফর্সা, ঝিনাইগাতি সদর ইউ-পি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চাঁন, হাতীবান্ধা ইউ-পি চেয়ারম্যান নুরুল আমীন এবং মালিঝিকান্দা ইউ-পি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম তোতা তাদের ভাবনা এক। গ্রাম হবে শহর এরই ধারাবাহিকতায় সি আই এন টিভি২৪ এর সাক্ষাৎকারে জনপ্রতিনিধিরা বলেন বাংলাদেশ সরকার দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। আমরা যদি বিগত দশ বছর আগে বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র দিকে তাকাই তাহলে দেখা যাবে বাংলাদেশে তেমন কোনো উন্নয়ন ছিল না।

বর্তমান সরকারের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে তা প্রতিটি গ্রাম পর্যায় গেলেই দেখা যায়। প্রত্যন্ত এলাকার রাস্তা ঘাট পাকা করন, প্রতিটি ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুৎ, গ্রামের মধ্যে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা রয়েছে এতে করে শিক্ষার হার বাড়ছে।প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল তথ্যসেবা কেন্দ্র থাকার কারণে গ্রামের মানুষ শহরে না গিয়ে গ্রামে থেকেই শহরের সুবিধাগুলো পাচ্ছে। ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভাতা প্রদান করছে যার ফলে গ্রামের অসহায় ও দুস্থ মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন হয়েছে। তাই আমরা বলতে পারি গ্রাম হবে শহর এই কথা দৃশ্যমান। জনপ্রতিনিধিরা তাদের একটা সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। ঝিনাইগাতি উপজেলায় গজনি অবকাশ নামে একটি দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যেখানে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীদের ভীড় রয়েছে। কিন্তু সেই দর্শনীয় স্থানে কোনো সীমানা প্রাচীর না থাকায় মাঝে মাঝেই দর্শনার্থীরা বিপদের সম্মুখীন হয়। তাই সরকারের কাছে আবেদন থাকবে ঝিনাইগাতির এই ঐতিহ্যবাহী পর্যটন কেন্দ্রটির যেন সুরক্ষা নিশ্চিত করেন। সবশেষে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জনপ্রতিনিধি সহ শেরপুর জেলাবাসীর দাবী শেরপুর জেলায় যেন ১টি রেললাইন, ১টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেন। তাহলে শেরপুর জেলা তথা ঝিনাইগাতি উপজেলার মানুষ উপকৃত হবে।