বরিশালে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় ক্লিংকারবাহী কার্গো ডুবি

151

বরিশাল নদীবন্দরের অপরপাড় চরকাউয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় ক্লিংকারবাহী একটি কার্গো ডুবে গেছে।  শনিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে চরকাউয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বরগুনা থেকে তিন শতাধিত যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসা শাহরুখ-২ লঞ্চের সাথে চট্টগ্রাম থেকে এ্যাংকর সিমেন্টের ১২০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার বহনকারী কার্গো হাজী মো. দুদু মিয়া-১ এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে ক্লিংকারবাহী এ্যাংকর সিমেন্টের মালিকাধীন কার্গোটি ডুবে যায় এবং লঞ্চের সামনের অংশটি ছিদ্র হয়ে যায়। তাই বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চটি নদীর তীরে ভিড়িয়ে যাত্রীদের নামিয়ে যাত্রা বাতিল করে। বিকল্প ব্যবস্থায় কিছু যাত্রী বরগুনা-ঢাকাগামী পূবালী-১ লঞ্চে ঢাকায় পাঠানো হয়। যাত্রীদের অনেকেই ঐসময় ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ জোরে ধাক্কা লাগলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে  নারী ও শিশু যাত্রীরা কান্না জুড়ে দেয়। তবে লঞ্চ চরকাউয়া খেয়াঘাটে ভিড়ানো হলে যাত্রীরা নিরাপদে তীরে নেমে পড়েন। টার্নিং করার সময় কার্গোটির চালক হঠাৎ ঘুরিয়ে দেয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান শাহরুখ-২ লঞ্চের সুপারভাইজর সেলিম হোসেন মারুফ। অপরদিকে এ্যাংকর সিমেন্ট কোম্পানীর জিএম আনসার আলী হাওলাদার বলেন, লঞ্চের ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ছুটে আসেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এসময় তিনি বলেন, যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছতে ব্যবস্থা করেছেন। আর যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিবেন। বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, নিমজ্জিত কার্গো উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীকের সাহায্যে সরিয়ে নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত বা নিখোঁজ নেই।