অভয়নগরে ৪৮ বছরে মৃত্যুর দীর্ঘ মিছিল, হিংসার আগুন খেয়েছে যত গুণী প্রাণ

163

অভয়নগর থেকে উৎপল ঘোষ

অভয়নগরে ১৯৭১ সাল থেকে ৪ যুগে গিলে খেয়েছে অনেক জ্ঞানী-গুণী প্রাণ প্রতিপক্ষের প্রতিহিংসার আগুনে। প্রতিপক্ষকে চিরবিদায় করে ক্ষমতার একক আধিপত্য কায়েম করতে ক্ষমতালোভী ধর্মান্ধ সার্থান্ধরা ভাড়াটে কিলারদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়। ঐ সময় বেছে বেছে অন্যায়ের প্রতিবাদীকে হত্যা করেছে। ওরা কিলারের ¯্রষ্টা শুধু নয় ওরা পদভ্রুষ্ট মুর্তিমান দানব।
চিরন্তন সত্য যে, জন্মিলে মৃত স্বাদ নিতে হয়। কিন্তু অনাকাঙ্খিত মৃত্যু কাম্য নয়। যা আজীবন কষ্ট দেয়, কাঁদায়। ব্যক্তি আক্রোশ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় প্রতিপক্ষকে হত্যা করা হীন নোংরামী মন্যতা ঐ জ্ঞান পাপীরা খাঁটি দেশপ্রেমিক ত্যাগী, স্পষ্ট ভাসীদের হত্যা করেছে। যা মর্মস্পর্সী বেদনাময় এবং ক্ষমার অযোগ্য মহাপাপ। নিহতদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন বর্ষীয়মান রাজনৈতিক ও মুক্তিযোদ্ধা। আপনজনেরা আজও স্বজন হারা কষ্টের গভীর ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন। স্মরণে থাকা ঘটনা গুলো প্রকাশ করা হলো। ১৯৭১ সালে ঘাতক রাজাকারদের হাতে স্বাধীনতাকামী শহিদ নজিবরকে পাকিস্তানী আর্মিরা গুলি করে হত্যা করে। সমাজসেবক ইসমাইল শেখ সহ তার পরিবারে ৫ জনকে নির্মম ভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। স্ত্রী সাজু বিঁবি, পুত্র সাদেক, ইদ্রিস ও কুদ্দুস শেখ। নিহতরা হলেন সফল পৌর কমিশনার ওয়াদুদ শেখের পিতা-মাতা ও ভাইয়েরা। একই পরিবারের ৫ শহীদকে যশোর খুলনা সড়কের পাশে কবরস্ত করা হয়। সঙ্গত কারণে ঐ এলাকা আজও পাঁচ কবর নামে পরিচিত। সময় সাময়িক পাক হানাদাররা নওয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার রুমে ঢুকে স্টেশন মাস্টার সিং বাবু সহ নয় জনকে হত্যা করে। যাদের সমাধী স্টেশন সংলগ্ন বিদ্যমান। ঐ সময় প্রেমবাগ কুলিবাসা মাঠে হাজার হাজার স্বরনার্থীর মধ্যে রাজাকার ও হানাদারেরা মিলে গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করে। প্রেমবাগের আহম্মদকে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে বেয়ারাপাড়ার রাজাকারেরা মোসলেম সর্দার ও ইব্রাহিম সর্দারকে হত্যা করে। নওয়াপাড়ার বৌবাজার এলাকার মোন্তাজের মেয়ে মাসুকে ধর্ষনের পর হত্যা করে। মর্মান্তিকভাবে খুন হন বাঘুটিয়ার তাঁরাপদ ঘোষ, একই এলাকায় লালমোহাম্মদ ফকিরকে হত্যা করে। শিবনগরের সিতেনাথ বিশ্বাস ও ফনি বিশ্বাস। বগুড়াতলার আবু গাজী, মান্দার গাজী, মোরশেদ শেখ ও আনসার শেখ। মধ্যপুর গ্রামের রাজাকার নকশাল সোরাপকে খুন করে। বিভাগদীর বিভুতি ভূষণ, পাচুড়িয়ার আকাম, হানেফ সহোদর। অভয়নগরের কমরেড হানিফ গাজী, সুধাংশ দে। ভাটপাড়া বাজারের হারেজের পুত্র মনু মিয়া, সাহেব ও করিমকে খুন করে। পাইকপাড়ার পূর্ণ চন্দ্রকে খুন করে। আমতলার কমরেড রবিন বিশ্বাস, ডুমুরতলা গ্রামের অমূল্য রতন, বেলেডাঙ্গা রেলের গার্ড কাদের, ও চেয়ারম্যান আক্কেল গাজী। ধোপাদী গ্রামের কমরেড রফিক সর্দার। কোদলা গ্রামের শিক্ষক সরুপ। মধুরগাতী গ্রামের ধলু ফকির ও তোরাপ নায়েব। ৭নং শুভরাড়া ইউনিয়নের বাশুয়াড়ী গ্রামের আমানত গাজীকে ও আপন দুই ভাই আনতাজ ও মোনতাজ গাজীকে গুলি করে হত্যা করে। সিংগাড়ী গ্রামের তৎকালীন অভয়নগর থানা কমিটি আওয়ামীলীগের সেক্রেটারীকে শংকরপাশা পাপড়ীগাছ তলায় মোবারেক মোল্যাকে খুন করে। একই দিনে জোনাব আলীকেও গুলি করে হত্যা করে। পাথালিয়া গ্রামের খবিরউদ্দিন ও তার সহোদর দবিরউদ্দিন। শংকরপাশা গ্রামের আলাল। মধ্যপুর গ্রামের ছাদেক মাস্টার খুন হন। পুড়াখালী গ্রমের রইস উদ্দীন কে জবাই করে হত্যা করে। বুনোরামনগরের আজাহার বিশ্বাসকে ১৯৭১ সালে ১৮ই মার্চ গুলি করে হত্যা করে। পোতপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন মল্লিক বাইরে ও মাস্টার ইয়াকুব হোসেনকে পোতপাড়া স্কুলের মধ্যে গুলি করে খুন করে। দেয়াপাড়া গ্রামের নিজামখান খুন হন। রাজঘাট ময়াল্লেমতলা এলাকার লতাফদ হোসেনের পুত্র শেখ আব্দুল গণি সহ সম্পদ দাস ও বাসুদেব পালকে খুন করে। ইসামতি গ্রামে ফকিরকে গাছের সাথে ঝুলিয়ে খানেরা গুলি করে খুন করে। আন্ধ্যা গ্রামের শুকুমল বিশ্বাস খুন হন। পুড়াখালী গ্রামের রাজাকারের জল্লাদ ডাকাত হাসান নওয়াপাড়া পার হাউজে ভৈরব নদীর ঘাটে বহু মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ব্যক্তি আক্রোশ, চরিতার্থে ঘাতকেরা প্রতিপক্ষকে দুনিয়া ছাড়া করেছে যা অনাকাঙ্খিত জঘন্য পৈশাচিক স্মরণে থাকা যথা সম্ভব অস্বাভাবিক মৃত্যুবরণকারীদের আরো নাম উল্লেখ করা হলো। ১৯৮৫ সালে ছাত্রদল নেতা ইউনুস, ১৯৮৭ সালে নওয়াপাড়ার আবেদ ফারাজি। ১৯৯১ সালে সরখোলার ছালাম, ১৯৯২ সালে চাঁপাতলা গ্রামের আনোয়ার, একই সালে সিদ্দিপাশা গ্রামের সিদ্দিক মোল্যা ও ছাত্রদল নেতা ফারুক হোসেন খুন হন। ১৯৯৫ সালে আ’লীগ নেতা কোটা গ্রামের মতিয়ার রহমান মসরহাটি গ্রামের জাপা নেতা ছরোয়ার হোসেন ও বিএনপি নেতা আশরাফ আলী, ১৯৯৫ সালের ১৩ ই আগস্ট বাঘুটিয়ার ইউপি সদস্য আশরাফ আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে খুন করে। বাঘুটিয়া ১৯৯৭ সালের ডাকাতের গুলিতে মোহন খুন হন। ১৯৯৭ সালে ১৯ এপ্রিল স্বপন, ঐ একই সালে আজিজ শেখকে ধানের ক্ষেতে খুন করে ফেলে দেয়। জিয়েলতলা বিএনপি নেতা মোনতাজ, ছাত্রলীগ নেতা রিপন মন্ডল ও সিদ্দিপাশার মহিউদ্দীন ফারাজি (৫৫) ও হাফিজ উদ্দীন ফারাজি মিতালীর মাঠে গুলি করে হত্যা করেন। সিদ্দিপাশায় জমিজমা ও গাছ কাটাকে কেন্দ্র কওে ২০১৮ সালে সালাম আলী খুন হয়,১৯৯৮ সালে আ’লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম খুন হয়, ১৯৯৯ সালে সিদ্দিপাশার গণেশকে খুন করে। ২০০০ সালে বিজয় দিবসে একরাম ও সিদ্দিপাশা গ্রামের জামাল মোল্যা, রাজ টেক্সাইল মিলের সিপিএ নেতা আতিয়ার রহমান, সিপিএ নেতা রফিক এবং একই সালের ৭ নভেম্বর ধুলগ্রামের গৌতম দাস বাড়ি ফেরার পথে বোমা বিস্ফোরণে, ১৯৯৯ সালে সিপিএ নেতা কওসার দপ্তরী খুন হন। একই সালে ভাটপাড়ার ঋষিপল্লীতে হতদরিদ্রদের লক্ষ্য করে ভয়ংকর অপরাধী পুলিশের লিষ্টেট যুবদল নেতা বর্তমানে যুবলীগ নেতা বহুরূপী ওসমান নির্বিচারে গুলি চালিয়ে সুমিত্রা বিশ্বাসকে হত্যা করে এবং আহত হন দুই জন। ঐ অপরাধে অস্ত্রসহ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে। জানা গেছে, তার গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা নজরদারী রয়েছে। ২০০৩ সালে কমিশনার ইব্রাহিম সর্দার, ২০০৬ সালের জুন মাসে শুভরাড়ার-শুকপাড়া থেকে গোলাম মল্লিকের পুত্র রকিবুল মল্লিককে ওয়াজ মাহফিল থেকে ফোনের মাধ্যমে ডেকে এনে তাকে হত্যা করে। ২০০৭ সালে পুড়াখালী গ্রামের আমজাদ ও বর্ণির আমিনুর রহমান খুন হন। ২০০৭ সালে বানিপুরের আইয়ুব সর্দার খুন হন। ২০০৮ সালে বাগদা গ্রামের নূপুর খুন হন। ২০০৯ সালে নূরবাগ এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা বস্তাবন্দী লাশ, নূরবাগ হোটেল মালিক শওকত, শুভরাড়া ও ধুলগ্রামের রফিকুল। মহাকালের ছাত্রনেতা সুমন, মাগুরার সুশান্ত ডাক্তার, সোনাতলার কাদের শেখ। ঐ একই এলাকার সালাম গাজী ও কাদের গাজী খুন হন। রেল স্টেশন সংলগ্ন শ্রমিক নেতা রেজাউল সর্দার। ২০১০ সালে সার ব্যবসায়ী করিম, মসরহাটির জাহিদ একই সালে খুন হন ও মাগুরা বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী চৈতন্য মন্ডল ও ইকবাল খুন হন। ২০১১ সালে শুকপাড়ার শিশু সুমাইয়া (০৪) শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ও একই সালের ৫ই ডিসেম্বর বাশুয়াড়ীর ইমন গাজী (১৪) গলাকাটা লাশ বালিয়া ডাঙায় কাঁশে ক্ষেত থেকে পুলিশ উদ্ধার করে। ২০১২ সালের নাউলি গ্রামের জাহাঙ্গির পাইকপাড়া পোলের পরে মটরসাইকেল ছিনতাই করে ঘাতকরা তাকে জবাই করে হত্যা করে, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মালাধরা গ্রামে হাতুড়ির আঘাতে বিপ্লব খুন হন। শুভরাড়ার পটল খুন হন, সিংগাড়ী গ্রামের আদিল, পাথালিয়ার নফেল মোল্যা বোমার বিষ্ফোরণে মৃত্যু হয়। পুড়াখালী গ্রামের ওসমানের পুত্র রাজু পল্টনে, ফরিদ এলবি টাওয়ারে ও একই ভাবে হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির রান্নাঘরে খুন হন শিমুল। দিয়াপাড়ার মিকাইল মোল্যা ও শংকরপাশায় নয়ন খুন হন। একতার পুর গ্রামের কিবরিয়া, ভুলোপাতা গ্রামের বিল এলাকা থেকে বস্তাবন্দি পঙ্কজ বিশ্বাসের লাশ উদ্ধার করা হয়। শংকরপাশা গ্রামের রীতা, ধোপাদি গ্রামের কবিতা মন্ডল ও হরিশপুর গ্রামের অনাদি সরকার খুন হন। শংকরপাশা গ্রামের খলিল শিকারী, মটর সাইকেল চালক রফিক খুন হন। অভয়নগরের খোকন, জাহিদ, পাঁচকবরের লুৎফর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক কমিশনার মোল্যা ওলিয়ার রহমান ও মিন্টু পাটওয়ারী খুন হন। নওয়াপাড়া থেকে কুলসুমকে তুলে এনে ধর্ষকেরা শংকরপাশা স্কুলের পাশে ধর্ষণ করে তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয়। একতারপুর ও মধ্যপুর গ্রামের দুইটি শিশুকে নির্মম ভাবে খুন করে ফেলে যায়। শংকরপাশার সাগর রায়। ০৬/০৯/১৮ বাঘুটিয়া গ্রামের কৃষক মৃত কেরামত আলী শেখের পুত্র তৈয়েবুর রহমানকে গভীর রাতে গায়ে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ভারতীয় নাগরিক বাঘুটিয়ায় বেড়াতে এসে অনীল সাধুর পুত্র শন্তু খুন হন নিজ পিতার বাড়ীতে। মাদক সংক্রান্ত মামলার স্বাক্ষী ছিলেন তৈয়েবুর রহমান (৫৫)। মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে ভাটপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই কবিরের সাথে ছিলো আর্থিক সক্ষ্যতা। স্বাক্ষীর দেবার ধার্য্য দিনের আগেই গভীর রাতে ঘুমন্ত কৃষক তৈয়েবুরের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘরে মাদক রেখে আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানি করে এ এস আই কবির চক্র। পাচুড়িয়া গ্রামের ভ্যান চালক তিলাপের স্ত্রী। অতি সম্প্রতী ২০১৭ সালে হাইওয়ে থানার সামনে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তিকে চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে হত্যা করে। পাইকপাড়ার জবেদা বিবি খুন হন। ভূগিলহাটে নৃশংসভাবে খুন হন ডলি আলোচিত খুন ও জোনাব মুন্সি। কিলার (পেশাদার খুনি) বাইরে থেকে লোক গুম করে এনে হত্যা করে বিলে খালে নালায় নদীতে ফেলে যায়। বন্দুক যুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন সে মৃত্যু অস্বাভাবিক। তাই উল্লেখ করা হলো : মাগুরা বাজারের মেজবাউল, বেলে ডাঙার সিদ্দিক, স্বরখোলার ওহিদুল, বাঘুটিয়ার আব্দুল হাই, বাশুয়াড়ীর সুলতান জমাদার এর পুত্র রাজু, নাউলীর রোকন ফুলতলার হৈজম, শংকরপাশার সাইফুল শিকারী, সাজ্জাদ ও কালাম। রানাগাতী গ্রামে ২০০৬ সালের জুন মাসে আব্দুল মান্নানের পুত্র জুনায়েত ইসলাম, রাজা, গোলাম মল্লিকের পুত্র মতিয়ার, রাজ্জাক শেখ, হিদিয়ার ইসরাফিল, শিল্পশহর নওয়াপাড়ার মিলন কাশারী, বারিক শেখের পুত্র হাবিবুর শেখ ও নাদেরের পুত্র আবুল। খুলনার লিঠু নওয়াপাড়ায় বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন। ৫ই এপ্রিল ২০১৯ ফেম পরিবহনের সুপারভাইজার আকাশ মাতোব্বর বেঙ্গল রেলগেট সংলগ্ন ৭-৮ জন মিলে কিল-ঘুষি মেরে তেলবাহী ট্রাকের নিচে তাকে হত্যা করে। এ ব্যাপারে অভয়নগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ঘাতক বাবু শিকারীকে বাগেরহাট বাসাবাটি পালপাড়া বোনের বাড়ি থেকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। ঘাতক হত্যার কথা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রতীপক্ষের হাতে যে সকল গুণীজন খুন হয়েছেন, তারা ছিলেন পরিবারের একমাত্র আয়ক্ষম এবং সংসারে অবলম্বন। আলোচিত পরিবারগুলো স্বজন হারিয়ে চরম দৈন্যতার মধ্যে জীবনীপাত করছেন। স্বজন হারা শোকের অন্তর বিগলিত কষ্টের জল এখন তাদের চক্ষুদ্বয়ে বন্যা। এমন অনেক অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে যা পরবর্তীতে উল্লেখ করা হবে।