সুনামির আঘাতের পরও টিকে আছে ইন্দোনেশিয়ার রহমতুল্লাহ মসজিদ

159

একটি বিধ্বংসী সুনামি আঘাত হানার পরও টিকে আছে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় সুমাত্রা দ্বীপের আচেহ প্রদেশের রহমতুল্লাহ মসজিদ। খবর তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির। এই ৩০ মিটার (৯৮ ফুট) উঁচু সুনামির আঘাতে ১৯৯৭ সালে নির্মিত মসজিদটির আশেপাশের সব ভবন ও গাছ ভেঙে পড়ে। কিন্তু এই মসজিদ সামান্য ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। মসজিদটির ইমাম সুলাইমান মুহাম্মাদ আমিন তুরস্কের সংবাদ সংস্থাটিকে জানান, তিনি ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বরের ঘটনা এখনও স্পষ্ট মনে করতে পারেন। একটি ৯.৩ মাত্রার ভূমিকম্প যখন এই অঞ্চলে আঘাত হানে, তখন মসজিদটির পাশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অনেক মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল। আমিন বলেন, বোমা বিস্ফোরণের মতো একটি প্রচণ্ড শব্দের পর ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। আমি মনে করেছিলাম বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ফ্রি আচেহ মুভমেন্ট বোম বর্ষণ করেছে। এই ৬৮ বছরের ইমাম বলেন, কিছুক্ষণের মধ্যে এখানে তিনটি সুনামি আঘাত হানে। ৩০ মিটার উঁচু সুনামির আঘাতে আশেপাশের সব বসতবাড়ি, ভবন ও গাছ ধ্বংস হয়ে যায়। এই বিপর্যয়ের আগে একটি বোর্ডিং স্কুলে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করা আমিন বলেন, মসজিদটির গম্বুজের চেয়ে বেশি উঁচু ছিল সুনামির ঢেউগুলো। তিনি জানান সুনামির চার মাস পরে রহমতুল্লাহ মসজিদে গিয়ে অবাক হয়ে যান। মসজিদটি সামান্য ক্ষয়ক্ষতির শিকার হলেও এখানে নামাজ আদায় করতে পারেন তিনি।