খুলনায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের পর দিশাহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ

168
।।মোঃ আল আমিন খান, খুলনা ব্যুরো ।।
খুলনা মহানগরে চলছে রিকশা সঙ্কট। গত ১৫ অক্টোবর থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধের পর নগরে পায়েচালিত কিছু সংখ্যক রিকশা চলছে। আর এ সুযোগ নিয়ে ইজিবাইক ও মাহেন্দ্র চালকরা ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছেন। যা নিয়ে নগরের মোড়ে মোড়ে ঘটছে ঝগড়া-হাতাহাতি। অথচ তা দেখার কেউ নেই।
কতোদিন এভাবে চলবে তা-ও কেউ জানে না। এ অবস্থায় চরম হতাশা আর অসহায়ত্বে দিশাহারা হয়ে পড়েছে নগরের সাধারণ মানুষ। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইজিবাইকে বেশি ভাড়া নিচ্ছে পাঁচ টাকার ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ১০ টাকার ভাড়া ২০ টাকা নেওয়া নিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, সিটি মেয়র নাগরিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভালো কথা। কিন্তু গত কয়েক বছরে শত শত রিকশায় ব্যাটারি ও ইঞ্জিন লাগানো হলো, সেগুলোর কি অনুমোদন ছিল? আমাদের সমস্যা হলো সবকিছু দেখে শুনে চোখ বন্ধ রাখা! এখন এ সব বন্ধ করতে গিয়ে সবাইকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। নগরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলছেই না। সাধারণ নাগরিক, কিন্ডার গার্টেনের কোমলমতি শিশুরা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা, কোচিং সেন্টারে যেতে পারছে না। অভিভাবকরা মুমূর্ষু রোগী, অফিস যাত্রীরা সবাই এখন অসহায় এবং জিম্মি। এমন একটি সেনসেটিভ বিষয় নিয়ে খুলনার নাগরিক সমাজ, বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সিটি মেয়রের একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে এ মুহূর্তে। আমরা জনগণ আর এ চাপ সইতে পারছি না। সরেজমিনে দেখা গেছে, খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ঘোষিত ইঞ্জিন রিকশা বন্ধের তৃতীয় দিন শুক্রবার নগরের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। নগরের কোথাও যানজট দেখা যায়নি। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের রিকশা সঙ্কটে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।