খুলনা জেলা যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী জাকির হোসেন জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে

416

আবু হামজা বাঁধন, ডেক্স রিপোর্ট :
দীর্ঘ ১৭ বছর পর খুলনা জেলা যুবলীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। ফলে অনেকটা অভিভাবকহীন জেলা যুবলীগ ফিরে পেয়েছে নতুন প্রাণের সঞ্চার। সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ না হলেও থেমে নেই বর্তমান কমিটি ও সাবেক ছাত্র নেতাদের নতুন কমিটিতে আসার প্রচেষ্টা। এ দিকে জেলা যুবলীগের সভাপতি সেক্রেটারী মূল দলের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অণ্যান্যদের মধ্যে নেতৃত্বশূণ্য যুবলীগের হাল ধরেছেন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার জাকির হোসেন। শেষ মুহুর্তে একাধিক সভাপতি সেক্রটারী পদপ্রার্থীর নাম শোনা গেলেও তাদের মধ্যে সরদার জাকির হোসেন জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে রয়েছে বলে সাংগঠনিক সূত্রে জানাযায়।
তথ্যমতে, সরদার জাকির হোসেন ৯০ দশকের শুরুর দিক থেকে যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি ১৯৯১ সালে ফুলতলা উপজেলা যুবলীগের সেক্রেটারী ও ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এ উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব স্ব-গৌরবে পালন করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ দিন রাজপথে যুবলীগকে নেতৃত্ব দেওয়ার ফলে গত ২০০৩ সালের ২৫ মে খুলনা জেলা যুবলীগের গঠিত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন । দীর্ঘ পরিক্রমায় যুবলীগ নেতা সরদার জাকির হোসেন খুলনা জেলা যুবলীগের একটি পরিচিত নাম ও পরিচিত মুখ হিসেবে রয়েছেন।
বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল ও আখতারুজ্জামান বাবুর নিদের্শনায় যুবলীগকে সক্রিয় করার জন্য অণ্যান্য নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে সরদার জাকির হোসেন খুলনার ৯টি উপজেলায় দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ফলশ্রুতিতে যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী জাকির হোসেন একটি দায়িত্বশীল ও কর্মীবান্ধব নেতাদের তালিকায় রয়েছে সর্বপ্রথমে।
তৃণমূল পর্যায়ে যুবলীগ কর্মীদের প্রিয় জাকির ভাই হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত এই নেতা কখনও অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি বলে তথ্য পাওয়া যায়। অনেকটা ক্লিন ইমেজ নিয়ে রাজনীতি করে আসছে সরদার জাকির। কোন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রকার মামলা বা একটি জিডিও নেই। নেই অপবাদের গ্লানি। ফলে শীর্ষ পর্যায় থেকে আসন্ন যুবলীগ সম্মেলনে সভাপতির পদে জাকিরের গ্রীন কার্ড পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবলীগ কর্মী।
যুবলীগ নেতা সরদার জাকির হোসেন জানান, আসন্ন যুবলীগের সম্মেলনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামতের প্রতিফলন ঘটলে, জেলা যুবলীগ অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় আরো সক্রিয় হবে। খুলনার ৯টি উপজেলার শত শত যুবলীগ কর্মী আমাকে আসন্ন সম্মেলনে সমার্থন দিয়ে আসছে এবং দিয়ে যাবে। জাকির আরও বলেন, আমার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রমাণ করবে আমি সভাপতি পদে কতটুকু যোগ্য । তবে আমি শতভাগ বিশ্বাস করি দীর্ঘ দিনের অর্জিত পরিশ্রম বিফলে যাবে না এবং সিনিয়র নেতৃবৃন্দ আমাকে সভাপতি পদে গ্রহণযোগ্যতায় এগিয়ে রাখবেন।
উল্লেখ্য, সরদার জাকির হোসেন ফুলতলার দামোদর গ্রামের মৃত আবু বক্কার সরদারের পূত্র। তিনি ছাত্রী জীবনে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। দৌলতপুর দিবা নৈশ কলেজ থেকে বিএ (ব্যাচেলর অব আটর্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্র রাজীনিতির পাশাপাশি জাকির হোসেন তখন থেকেই সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে দামোদর অঞ্চলে অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা সহ সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রত্যাক্ষভাবে জড়িয়ে আছে এই কর্মবীর সরদার জাকির ।