খুলনা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী আশরাফুল আলম কচি জনপ্রিয়তায় শীর্ষে

656
।।মোঃ আল আমিন খান।।
খুলনা ফুলতলার উপজেলা দামোদর গ্রামে বেড়ে উঠা যুবক তরুণ সমাজের অহংকার, তারুণ্যের প্রতীক আশরাফুল আলম কচি। তিনি খুলনা জেলা ছাএলীগের সদস্য ছিলেন ২০০০ সালের পরেই ২০০৩ সালে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন ২০১১ পর্যন্ত। ১৯৯৪ সালে যোগদেয় ফুলতলা এম, এম, কলেজে। তারপরে থানা ছাএলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। আওয়ামীলীগ করায় তাকে একাধিক বার জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, নিজ বাড়ি ঘর পরিবার ছাড়া হতে হয়েছে তাকে। এমনকি জেল ও খাটতে হয় এই রাজনৈতিক কারনে। আশরাফুল আলম কচি বলেন, হাজারো বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শের সৈনিক আমি। যতদিন বেঁচে আছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনেই চলবো।
আশরাফুল আলম কচি রাজনীতিতে আসনে বাবা সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পির মাধ্যমে। শাহাবুদ্দিন জিপ্পি  খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমানে ফুলতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আছেন। ছাত্র রাজনীতির শেষে ২০১১ সালের পর থেকে আশরাফুল আলম কচি জেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান জামাল ও সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাবুর নেতৃত্বে যুবলীগকে সু – সংগঠিত করার জন্য ফুলতলা উপজেলা সহ বিভিন্ন থানা এলাকায় সক্রিয় কঠোর ও নিরলস প্রচেষ্টা করে আসছে।
আশরাফুল আলম কচি বলেন, দলের জন্য যা করেছি তা কোন কিছুর বিনিময়ে করি নায় আর কোনদিন করবোও না। তবে জেলা যুবলীগের এি- বার্ষিক সন্মেলনে সিনিয়র নেতারা যদি আমার অতীত, রাজনৈতিক, প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করে তবে আমি নিঃসন্দেহে খুলনা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হতে পারবো। সেই সাথে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী যাতে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হতে পারি।