জাতীয় পার্টি এখন কার?

156

পাঁচবার ভেঙেছে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি। তারপরও শেষ পর্যন্ত নিজেই দলের মূল অংশকে ধরে রাখতে পেরেছিলেন এরশাদ। তার মৃত্যুর পর ফের ভাঙনের মুখে দলটি। নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ভাঙ্গন এখন স্পষ্ট। পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলের নেতার পদ ঘিরে বিভক্ত নেতাকর্র্মীরা। জীবনের অন্তিম মুহুর্তে ভাই জিএম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেছিলেন এরশাদ। তখনই এ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল দলে। পার্টি চেয়ারম্যানের এ সিদ্ধান্ত দলের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

তবে বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেনি কেউ। এরশাদের মৃত্যুর পর অনেকটা নাটকীয়ভাবেই পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের নাম ঘোষণা করা হয়। স্বামীর মৃত্যুতে পার্টির সিনিয়র কো চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ আড়ালে। প্রতিক্রিয়া আসে তার অনুসারি নেতাদের তরফে। বিষয়টি তারা মেনে নেবেন না এমনটি বোঝানোর চেষ্টা করেন। পার্টি চেয়ারম্যানের পদের পাশাপাশি আলোচনা ছিল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতার পদটি নিয়ে। পার্টি প্রধানের সঙ্গে এরশাদ নিজেই এ পদে ছিলেন। সম্প্রতি পার্টির নেতাদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করে বিরোধী নেতার আসনে বসতে স্পিকার বরাবর চিঠি পাঠান জিএম কাদের। এ চিঠির পরই নড়েচড়ে বসেন রওশন এরশাদপন্থি নেতারা। মঙ্গলবার জিএম কাদেরের পক্ষে চিঠি দেয়ার পর দিন রওশন এরশাদের গুলশানের বাসায় বৈঠক করেন তার অনুসারী নেতারা। বিকালে কাদেরকে বিরোধী নেতা না করতে স্পিকার বরারব পাল্টা চিঠি পাঠান রওশন। জানানো হয় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন রওশন। স্বামীর মৃত্যুর পর গতকালই প্রথম গণমাধ্যমের সামনে এলেন বিরোধী দলের উপনেতা। তাকে পাশে রেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি রওশন এরশাদকে পার্টির চেয়ারম্যান এবং মশিউর রহমান রাঙাকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে ছয় মাসের মধ্যে কাউন্সিল করার কথা জানান। এসময় পার্টির বেশ কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ঘোষণার ঘণ্টা খানেক পরে দলের বনানীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জি এম কাদের সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রওশন এরশাদকে তিনি মায়ের মতো সম্মান করেন। তিনি সেই সম্মান রাখবেন। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও রওশন নিজে চেয়ারম্যান হওয়ার ঘোষণা দেননি। কাদের দাবি করেন, দলের গঠনতন্ত্র পর পর পাঁচবার ভেঙেছে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি। তারপরও শেষ পর্যন্ত নিজেই দলের মূল অংশকে ধরে রাখতে পেরেছিলেন এরশাদ। তার মৃত্যুর পর ফের ভাঙনের মুখে দলটি। নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ভাঙ্গন এখন স্পষ্ট। পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলের নেতার পদ ঘিরে বিভক্ত নেতাকর্র্মীরা। জীবনের অন্তিম মুহুর্তে ভাই জিএম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেছিলেন এরশাদ। তখনই এ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল দলে। পার্টি চেয়ারম্যানের এ সিদ্ধান্ত দলের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

তবে বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেনি কেউ। এরশাদের মৃত্যুর পর অনেকটা নাটকীয়ভাবেই পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের নাম ঘোষণা করা হয়। স্বামীর মৃত্যুতে পার্টির সিনিয়র কো চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ আড়ালে। প্রতিক্রিয়া আসে তার অনুসারি নেতাদের তরফে। বিষয়টি তারা মেনে নেবেন না এমনটি বোঝানোর চেষ্টা করেন। পার্টি চেয়ারম্যানের পদের পাশাপাশি আলোচনা ছিল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতার পদটি নিয়ে। পার্টি প্রধানের সঙ্গে এরশাদ নিজেই এ পদে ছিলেন। সম্প্রতি পার্টির নেতাদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করে বিরোধী নেতার আসনে বসতে স্পিকার বরাবর চিঠি পাঠান জিএম কাদের। এ চিঠির পরই নড়েচড়ে বসেন রওশন এরশাদপন্থি নেতারা। মঙ্গলবার জিএম কাদেরের পক্ষে চিঠি দেয়ার পর দিন রওশন এরশাদের গুলশানের বাসায় বৈঠক করেন তার অনুসারী নেতারা। বিকালে কাদেরকে বিরোধী নেতা না করতে স্পিকার বরারব পাল্টা চিঠি পাঠান রওশন। জানানো হয় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন রওশন। স্বামীর মৃত্যুর পর গতকালই প্রথম গণমাধ্যমের সামনে এলেন বিরোধী দলের উপনেতা। তাকে পাশে রেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি রওশন এরশাদকে পার্টির চেয়ারম্যান এবং মশিউর রহমান রাঙাকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে ছয় মাসের মধ্যে কাউন্সিল করার কথা জানান। এসময় পার্টির বেশ কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ঘোষণার ঘণ্টা খানেক পরে দলের বনানীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জি এম কাদের সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রওশন এরশাদকে তিনি মায়ের মতো সম্মান করেন। তিনি সেই সম্মান রাখবেন। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও রওশন নিজে চেয়ারম্যান হওয়ার ঘোষণা দেননি। কাদের দাবি করেন, দলের গঠনতন্ত্র । সৌজন্যে : মানবজমিন অনালইন