খুলনা-মোংলা সড়ক ও ফকিরহাটের সরকারি কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বেহাত

198

ফকিরহাট থানা প্রতিনিধি :
খুলনা-মোংলা মহাসড়ক ও ফকিরহাট উপজেলার সরকারি কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি আস্তে আস্তে বেহাত হয়ে যাচ্ছে। একের পর এক সরকারি সম্পত্তি এলাকার প্রভাবশালী-স্বার্থনেষী মহল দখল করে নিচ্ছে। অবৈধ দখলদার ও ব্যাক্তিরা বিভিন্ন সংস্থা এসব সরকারি কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়ে সেখানে বসতি ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সমাজের এক শ্রেণী স্বার্থনেষী মহল তারা কৌশলে এসব সরকারি সম্পত্তি দখল দেওয়ার কাজটি করছে।স্পটগুলো হচ্ছে খুলনা-মোংলা, বাগেরহাট ও ফকিরহাটে, এলাইপুর বাসষ্ট্যান্ড, খাজুরা বাসষ্ট্যান্ড, লখপুর-কাটাখালি, শুকদাড়া, চুলকাঠি ও চুলকাঠি খালপাড়, ভট্টবালিয়া ঘাটা, মাদ্রাসা ষ্ট্যান্ড, ভরসাপুর, ফয়লা বাসষ্ট্যান্ড, রোনশেন, ভাগা, দ্বিগরাজ, নওয়াপাড়া, কাঠালতলা, সি এন্ড বি বাজার, বুড়ির বটতলা, মানসা বাহিরদিয়া, সামন্তসেনা, বারাসিয়া, শুভদিয়া, ভাংগনপাড় সহ এলাকার সরকারি জমিতে ঘরবাড়ী তুলে ধীরে ধীরে অবৈধ দখলদাররা দখলে নিয়ে যাচ্ছে। নদী-খাল, ডোবা, নালা, জলাশয় ভরাট করে ফেলেছে। এই স্বার্থনেষী মহল সরকারি সম্পত্তিতে তুলে দিচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নানা ধরনের সংস্থার অফিস ঘর। খুলনা-মোংলা মহাসড়কের সম্পত্তির মালিক সড়ক ও জনপদ বিভাগ (রোডস এন্ড হাইওয়ে) ও ভুমি অধিদপ্তর রক্ষনা-বেক্ষণা তদারকির অভাব ও অনিয়মের কারনে এসব জায়গা জমি চলে যাচ্ছে ব্যাক্তি বিশেষের হাতে। সড়ক ও জনপদ বিভাগে এক কর্মকর্তার সাথে কথা হয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন , যা দখল হয়েছে অনেক অনেক জায়গা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। আর বাকী যে দখল হয়ে আছে তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সময় হলে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। অনেক দখলকৃত জায়গা বেচা-কেনা হচ্ছে। অন্যদিকে দখলদাররা সরকারি জমিতে দোকানপাট ও ঘর বানিয়ে ভাড়া দিয়ে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ এই দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন বলে জানান। এসব মামলার জোরালো কোন ভুমিকা না থাকায় অবৈধ দখলদাররা পার পেয়ে যাচ্ছে। সরজমিনে এসব চিত্র দেখা যায়। সরকারি কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রক্ষনা -বেক্ষনার অভাব ও অনিয়মের কারনে এসব সম্পত্তি বেহাত হয়ে যাচ্ছে অবৈধ দখলদারদের হাতে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট এ অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে উচ্ছেদের জোর দাবী জানিয়েছেন ও সচেতন মহল।