‘আমার সেঞ্চুরির অর্ধেক কৃতিত্ব মুশফিক ভাইয়ের : মুমিনুল

391

এই কিপার-ব্যাটসম্যান ক্রিজে আসার সময় ১২.১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৬/৩। উইকেট থেকে সহায়তা পেয়ে তখন ব্যাটসম্যানদের চাপে রেখেছিলেন কাইল জার্ভিস ও ডোনাল্ড টিরিপানো। কিছু শট খেলে চেপে বসা ফাঁস আলগা করার চেষ্টায় কাট করতে গিয়ে ৯ রানে পয়েন্টে জীবন পান মুমিনুল।

সে সময় মুশফিকের পরামর্শ দারুণ কাজে আসে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের। চড়াও হওয়ার চিন্তা থেকে সরে এসে মন দেন বল অনুযায়ী শট খেলার দিকে। প্রথম দিনের শেষ বেলায় ফেরার আগে বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান করেন ১৬১ রান। গড়েন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যে কোনো জুটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ২৬৬ রানের জুটি।

প্রথম দিনের খেলা শেষে মুমিনুল জানান, মুশফিকের পরামর্শে ব্যাটিং অনেক সহজ হয়ে গিয়েছিল তার জন্য।

“উনি আমাকে এত পরামর্শ দিয়েছেন যেগুলো আমার ব্যাটিংয়ে খুব কাজে এসেছে। সত্যি বলতে, আমার এই সেঞ্চুরির অর্ধেক কৃতিত্ব তারই।”

বড় জুটির পথে দুই জনের মধ্যে অনেক কথা হয়েছে। সেগুলো কিভাবে ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলেছে তার একটা ধারণা দিলেন মুমিনুল।

“উনি যখন ক্রিজে আসেন তখন কিন্তু আমরা রান করতে পারছিলাম না। ওরা খুব আঁটসাঁট বোলিং করছিল। উনি আসার পর যেন সবকিছু কিছুটা সহজ হয়ে গেল। আমার ক্ষেত্রে মুশফিক ভাই খুব সাহায্য করেছেন। পুরো ইনিংসে তিনি আমাকে ভালো গাইড করেছেন।”

“আমি মাঠে অনুভব করেছি, কেন তিনি বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন। ব্যাটিং করার সময় তার পরিস্থিতি বোঝার ব্যাপারটা আমাকে খুব নাড়া দিয়েছে। উনার কিছু কিছু পরামর্শ খুব ভালো ছিল যা আমাকে ব্যাটিংয়ের সময় অনেক সাহায্য করেছে। উনার এই সাহায্য আমার ইনিংসে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।”