সাংবাদিকদের কাছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন চান দুদক চেয়ারম্যান

389

 

তিনি বলেছেন, “সাংবাদিকতার মূল বিষয় হচ্ছে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। এ সাংবাদিকতা চলমান থাকুক। আপনারা নিরুৎসাহিত হবেন না।”

মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের জন্য অনুসন্ধানমূলক রিপোর্টিংয়ের তিন দিনের এক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে দুর্নীতি প্রতিরোধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের গুরুত্ব তুলে ধরেন দুদক চেয়ারম্যান।

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সত্য প্রকাশ করবেন। আমি আপনাদের পক্ষে বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধেই হোক, দুদকের বিরুদ্ধে হোক, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে; আপনারা লিখবেন। অনুসন্ধানের তথ্য যদি আপনারা না দেন তাহলে প্রতিষ্ঠান চলবে না।

“আপনারা যদি আমাকে চ্যালেঞ্জ না করেন, আমি শুধরাব না। আপনারা প্রশ্ন করবেন, কিছু উত্তর দেব, সব প্রশ্নের উত্তর হয়ত আমি দেব না, দিতেও পারব না।”

ইন্টারনেটে নাগরিকদের বিচরণে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে, তার কয়েকটি ধারা নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের আপত্তি রয়েছে। অধিকারকর্মীরাও বলছেন, এতে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার খর্ব হবে। ওই ধারাগুলো সংশোধনের দাবিতে সোমবার মানববন্ধনে করেছে সম্পাদক পরিষদ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, “৫৭ ধারা বা ডিজিটাল আইন সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই। তবে আপনাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন, দুদক এসব সংবাদকে স্বাগত জানাবে।

“দুদকের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবেদনের জন্য কোনো মামলা-টামলা হবে না। এমনকি এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদনের জন্য দুদকের পক্ষ থেকে প্রতিবাদও করা হয়নি। অনুসন্ধান করবেন, আপনাদের কোনো ভয় নেই। নির্ভয়ে আপনারা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করবেন।”

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রসঙ্গ টেনে পিআইবির মহাপরিচালক শাহ আলমগীর বলেন, “সাংবাদিকতা কোনো আইন দিয়ে থেমে থাকেনি। আইন করে কোনো ভালো কাজকে আটকানো যাবে না। আইন হয় খারাপদের জন্য। কাজেই আইন নিয়ে ভীত হওয়ার কোন কারণ নেই।”

অনুষ্ঠানে বাসসের প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, দুদক সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদও বক্তব্য দেন।