সুন্দলী ঢাকুরিয়া সড়কের তিন কিলোমিটার রাস্তা দেড় যুগেও সংস্কার হয়নি

398

 

শামছুজ্জামান মন্টু স্টাফ রিপোর্টার
মনিরামপুর উপজেলার সুন্দলী বাজার সংলগ্ন কুচলিয়া নতুন বাজার থেকে ঢাকুরিয়া সড়কের মাঝামাঝি হরিদাসকাটি (আঠারোপাকিয়া) ঈদগাহ থেকে কাটাখালি পর্যন্ত রাস্তা দেড় যুগ পার হলেও আজ পর্যন্ত সংস্কার হয়নি। সড়কটি দুই পাশ সংস্কার হলেও মাঝা মাঝি সড়কটির তিন কিলোমিটার রাস্তায় পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে অল্প বৃষ্টিতে গর্তে কাদা পানিতে ভরে গিয়ে রাস্তা বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। এই ব্যাস্ততম সড়ক দিয়ে ১০-১২টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ চলাচল করে। এছাড়া শিল্প শহর নওয়াপাড়া বাজারের জন সাধারন সহজে যশোরে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সবচেয়ে বেশী ঝুঁকি নিয়ে শত শত শিক্ষার্থী সহ পথচারীদের এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। জানাগেছে ২০০১ সালে কুচলিয়া নতুন বাজার হতে ঢাকুরিয়া বাজার ভায়া প্রেমবাগ পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার রাস্তাটি তৎকালীন সংসদ সদস্য এডভোকেট খান টিপুসুলতানের সদিচ্ছায় পাকা করণ করা হয়। এ রাস্তা দিয়ে হরিদাসকাটি, কাটাখালি, নাউলি, ঢাকুরিয়া, ভোমরদাহ, হাজরাইল, নলঘোনা, শ্রীপুর, সুফলাকাটি, প্রতাপকাটি সহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ চলাচল করে। রাস্তায় চলাচলকারি পথচারিরা অবসর প্রাপ্ত মাস্টার শাজাহান আলী, সাবেক ইউপি সদস্য আ: গফুর মোল্যা, ডাঃ অসিম ধর, জগদিশ ধর, উত্তম ধর, সঞ্জিত কর্মকার সহ অসংখ্য পথচারিরা বলেন গত ১৮ বছর আগে রাস্তাটি পাকা করণ এরপর রাস্তাটির দুপাশ সংস্কার হলেও মাঝের হরিদাসকাটি থেকে কাটাখালী পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তাটুকু আজ পর্যন্ত সংস্কার হয়নি। রাস্তাটির কার্পেটিং উঠে অসংখ্য খানাখন্দকের সৃষ্টি হইয়াছে। তিন কিলোমিটার রস্তায় আমাদের ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তারা রাস্তাটি দ্রুত রাস্তাটুকু সংস্কারের দাবি জানান। এলাকাবাসি জানিয়েছেন এই ব্যাস্ততম রাস্তাটুকু সংস্কারের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।