ফকিরহাটের মোমতলা সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরে রং তুলির কাজ চলছে

585

বাদশা আলম ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগার মোমতলা সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরে এবার উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ দুর্গা পুজা অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষে পুজা মন্দিরে সাজ সজ্জার কাজ প্রায় শেষের পথে। শতাধিক প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষের পর এবার চলছে রং আর তুলির কাজ। তবে সবচেয়ে আর্কষনের বিষয় হচ্ছে ৪২ফুট লম্বা কুম্ভু কর্ণ, যার বুকের উপর দন্ডায়মান রয়েছে একটি হাতি। জানা গেছে, সত্য ত্রেতা দ্বাপর আর কলি যুগের নানান কল্প কাহিনী নিয়ে প্রতিমা গুলি তৈরী করা হয়েছে। যা ভক্তদের মন-কে আকৃষ্ঠ করে তুলবে। ১৭বছর ধরে মন্দির কমিটি বিপুল পরিমানে অর্থ ব্যায় করে এখানে পূজা অর্চনা করে চলতো। এক সময় এই মন্দিরটি ছিল জেলা বা বিভাগের শ্রেষ্ঠ। কিন্তু পার্শ্ববতী বাগেরহাট সদর উপজেলার হাকিমপুর শিকদার বাড়ী দুর্গা মন্দিরে ৭০১টি প্রতিমা নির্মাণ করায় সেটি উপ-মহাদেশের শ্রেষ্ঠ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে। মন্দিরটি-তে ঢুকতেই চোখে পড়লো মা দুর্গার ঘটকে আগমন ও দোলাই গমনের দৃশ্য। এছাড়া ভিতরে ৪২ফুট লম্বা কুম্ভু কর্ণের প্রতিমা। তাছাড়া সত্য ত্রেতা দ্বাপর আর কলি যুগের নানান কল্প কাহিনী নিয়ে প্রতিমা গুলি তৈরী করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, নারায়ন কর্তৃক মধু কৌটবের বর দান, হর পার্বতী, দক্ষ রাজার শিব নিন্দা, শ্রীরাম চন্দ্রের গুরু দক্ষীনা, মা যশোধার গোপাল সেবা, ভব নদীর খেয়াঘাট, দশরথের নগর ভিক্ষা ও বিভিশনের রাজ্যে অভিশাপ সহ নানান কাহিনী নিয়ে শতাধিক প্রতিমা দিয়ে মন্দিটিকে সুসজ্জিত করা হয়েছে। যা সত্যিই ভক্তদের মনকে আকষনিয় করে তুলবে। খুলনার কয়রা উপজেলার চান্নিরচক গ্রামের প্রসাদ কুমার মন্ডল ও শান্ত কুমার মন্ডল সহ ৫/৬জনে প্রতিমা গুলি তৈরী করেছেন। তারা দীর্ঘ ৮বাছর ধরে এই মন্দিরে প্রতিমা তৈরীর কাজ করেন। মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক সাধন কুমার দাশ এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, মন্দিরটিতে এবার ১৭তম দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার সম্পূন্ন ভিন্ন ও আর্কষনিয় ভাবে মন্দিরটিকে সাজানো হয়েছে। মন্দিরে আগত ভক্তদের আগমনের জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ হতে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনী আমাদের-কে সহযোগীতা করবেন। এছাড়াও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৬৭টি মন্দিরে জাকজমকপূর্ণ ভাবে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ###