খুলনার যোগিপোলে শিশু হত্যাকে অপমৃত্যু বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

369

খুলনার খানজাহান আলী থানাধীন যোগিপোল এলাকায় তৃতীয় শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী সাদিয়া আক্তার শিমু (৯)কে ধর্ষণ করে হত্যাকা-কে ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী মহল তৎপর রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশকে ম্যানেজ করে পানিতে ডুবে অপমৃত্যু বলে চালিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাল্টে দিতে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। স্বজনদের অভিযোগ নিহতের শরীর এবং যৌনাঙ্গে চিহ্ন দেখা গেছে এবং প্রাথমিক সুতরহালেও তা উল্লেখ করা হয়েছে। নিহত শিমু ৭নং ওয়ার্ডের জব্বারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ট্রাক ড্রাইভার হালিম হাওলাদারের মেয়ে ও কুয়েট উন্মেষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।
নিহতের নানা তোতা শেখ জানান যে বাড়িতে বেড়াতে যেয়ে তার মৃত্যু হয় তারা নাতির মৃত্যু পানিতে ডুবে হয়েছে বলে জানালেও এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, আমার নাতি সাঁতার জানে এটা সবাই জানে এবং যেখানে ডুবে গেছে বলা হচ্ছে সেখানে হাঁটু পানি। এই পানিতে সে কিভাবে মারা যায়।
অপমৃত্যু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সেন্সেটিভ এবং গোপনীয়।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোর রাতে দৌলতপুর থানাধীন রেলিগেট সাহেবপাড়া এলাকায় সাদিয়ার মামার বন্ধু সাদ্দামের বাসায় বেড়াতে গিয়ে ২ অক্টোবর নিহত হয়।